বাড়িরাজ্যঅঙ্গনওয়াড়ি কর্মীদের বিভিন্ন সমস্যা থেকে দৃষ্টি আকর্ষণ করছে না সরকার

অঙ্গনওয়াড়ি কর্মীদের বিভিন্ন সমস্যা থেকে দৃষ্টি আকর্ষণ করছে না সরকার

স্যন্দন ডিজিটাল ডেস্ক, আগরতলা। ২১ আগস্ট : অঙ্গনওয়াড়ি কর্মীদের উপর থেকে অবিলম্বে এফ আর এস পদ্ধতি সংক্রান্ত আদেশ প্রত্যাহার করা, পুষ্টি প্রকল্পের বাজেট বরাদ্দ বৃদ্ধি করা, অঙ্গনওয়াড়ি কর্মী সহায়িকাদের কর্মক্ষেত্রে নিরাপত্তা সুনিশ্চিত করা, অঙ্গনওয়াড়ি কর্মীদের কাজকর্ম করার জন্য ফাইভ-জি স্মার্টফোন প্রদান করা সহ মোট পাঁচ দফা দাবিতে ত্রিপুরা অঙ্গনওয়াড়ি ওয়ার্কার্স এন্ড হেলপার্স ইউনিয়নের রাজ্য কমিটির পক্ষ থেকে কালো দিবস কর্মসূচি সংঘটিত করা হয়। রাজধানীর অফিস লেন স্থিত সি আই টি ইউ রাজ্য কার্যালয়ের সামনে বিক্ষোভ দেখিয়ে কালো দিবস পালন করেন।

বৃহস্পতিবার আয়োজিত এই কর্মসূচিতে উপস্থিত ছিলেন সংগঠনের নেত্রী পাঞ্চালি ভট্টাচার্যী, সংগঠনের সাধারণ সম্পাদিকা কাজল রানী সরকার। তিনি বলেন অঙ্গনওয়াড়ি কর্মীদের কাজ করার জন্য সরকার যে স্মার্টফোন প্রদান করেছে সেগুলি ২-৩ মাস পর নষ্ট হয়ে গেছে। এখন কর্মীরা বাধ্য হয়ে নিজের মোবাইল ফোন দিয়ে কাজ করছে। এবং অঙ্গনওয়াড়ি কর্মীদের কাজ করার জন্য এই মোবাইল ফোনগুলি যতটা উন্নত হওয়ার কথা ততটা নয়। কারণ পোষণ ট্র্যাকার অ্যাপে সব তথ্য ঠিকভাবে পাঠানো সম্ভব হয় না। তাছাড়া মাত্র ২০০০ টাকা দিয়ে সারা বছর কোন মোবাইল রিচার্জ করা যায় না। বিভিন্ন সময় তাদের রিচার্জের টাকা পর্যন্ত পায় না বলে দাবি করেন তিনি। তিনি বলেন, এই বিষয়গুলি নিয়ে সমাজ কল্যাণ এবং সমাজ শিক্ষা দপ্তরের অধিকর্তার দৃষ্টি আকর্ষণ করা হয়েছিল। পরিতাপের বিষয় আশ্বাস অনুযায়ী সমস্যার সমাধান হয়নি। তিনি আরো বলেন সঠিক সময়ের মতো অঙ্গনওয়াড়ি কর্মীদের টাকা না দেওয়ায় তারা সময় মতো শিশুদের পুষ্টিকর খাবারও দিতে পারে না।

 ফলে শিশুদের খাবারের জন্য ব্যক্তিগত তহবিল থেকে অঙ্গনওয়াড়ি কর্মীরা খাবারের ব্যবস্থা করেন। পরবর্তী সময়ে অঙ্গনওয়াড়ি কর্মীদের সেই টাকা পেতে অনেক সমস্যায় পড়তে হয়। এই সমস্যাগুলি অবিলম্বে সমাধান করতে হবে সরকার এবং সংশ্লিষ্ট দপ্তরের। নাহলে অঙ্গনওয়াড়ি সেন্টারগুলি সঠিকভাবে পরিচালনা করা সম্ভব হবে না বলে জানান তিনি। তিনি আরো বলেন, এই বিষয়গুলো নিয়ে বারবার সরকারি দৃষ্টি আকর্ষণ করা হলেও কোনো রকম পদক্ষেপ গ্রহণ করা হচ্ছে না। তারপরেও পুনরায় দাবি তুলে সরকারি দৃষ্টি আকর্ষণ করা হচ্ছে। কারণ প্রতিদিন অঙ্গনওয়াড়ি কর্মীরা হয়রানির শিকারও হচ্ছে। শাসক দলের যুবকরা অঙ্গনওয়াড়ি সেন্টারে প্রবেশ করে বিভিন্ন কিছু হিসেব চায়। যা সম্পূর্ণ বেআইনি কার্যকলাপ বলে জানান তিনি।

সম্পরকিত প্রবন্ধ

সবচেয়ে জনপ্রিয়

সাম্প্রতিক মন্তব্য