স্যন্দন ডিজিটাল ডেস্ক, আগরতলা। ২২ এপ্রিল :বুধবার চলতি শিক্ষা বর্ষের ত্রিপুরার বোর্ড অফ জয়েন্ট এন্ট্রান্স এক্সামিনেশন পরিচালিত জয়েন্ট এন্ট্রান্স পরীক্ষা হয়। সকাল ১১ টা থেকে বিকাল ৩ টা ৪৫ মিনিট পর্যন্ত তিন ধাপে হয় পরীক্ষা। সারা রাজ্যে মোট ১৫টি সেন্টারে পরীক্ষা হয়। এর মধ্যে আগরতলায় রয়েছে আটটি সেন্টার। এ বছর ছাত্র-ছাত্রীর সংখ্যা ৪৭৩১ জন। এরমধ্যে ছাত্রের সংখ্যা ২০৮৬ জন এবং ছাত্রীর সংখ্যা ২৬৪৫ জন।
পিসিএম জন্য আবেদন করেছিল ৬০৪ জন ছাত্রছাত্রী এবং পিসিবি পরীক্ষার জন্য আবেদন করেছিল ২৬৬৬ জন ছাত্রছাত্রী। পিসিএম এবং পিসিবি উভয়েই বসেছে ১৪৬১ জন ছাত্রছাত্রী বলে জানান ত্রিপুরার বোর্ড অফ জয়েন্ট এন্টান্স এক্সামিনেশনের চেয়ারম্যান ড. শুভদীপ পাল। তবে এদিন পরীক্ষায় বসতে পারল না পায় বহু ছাত্র-ছাত্রী। এদিকে সময় মতো পরীক্ষা হলে প্রবেশ করতে না পেরে পরীক্ষায় বসতে পারল না ১০ থেকে ১২ জন জয়েন্ট এন্টান্স পরীক্ষার্থী।
পরীক্ষার কেন্দ্রের বাইরে কান্নায় ভেঙে পড়লেন পরীক্ষার্থী এবং অভিভাবকরা। ঘটনা রাজধানীর বোধজং বয়েজ উচ্চতর মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে। অভিভাবকদের অভিযোগ, সকাল সাড়ে দশটার সময় বিদ্যালয়ের গেট লাগানো হয়ে গেছে। একটা সেকেন্ডের জন্য সময় দেয়নি। সবচেয়ে বড় বিষয় হলো, অন্যান্য স্কুলে মধ্যে পৌনে এগারোটার সময়ও ছাত্র-ছাত্রীদের ভেতরে প্রবেশ করার সুযোগ দিয়েছে। উল্লেখযোগ্য বিষয় হলো, এডমিট কার্ডের মধ্যেও ভেতরে প্রবেশ করার কোন সময় নির্ধারণ করা ছিল না বলে দাবি অভিভাবকদের। এর জন্য শিক্ষামন্ত্রীকেও দায়ী করেন কেউ কেউ। ফলে ছাত্রছাত্রীদের এক বছর নষ্ট হয়েছে বলে দাবি করেন তারা। কিছু কিছু অভিভাবক দাবি করেন, ছাত্র-ছাত্রীদের ভবিষ্যৎ নষ্ট হওয়ার মত ঘটনা। পরবর্তী সময় বিদ্যালয়ের গেট না খোলার কারণে বিক্ষোভের সামিল হয় অভিভাবকরা। কিন্তু একটা সময়ের পর পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে। যদিও এক বছর ছাত্র-ছাত্রীদের ভবিষ্যৎ জলাঞ্জলি।

