স্যন্দন ডিজিটাল ডেস্ক, আগরতলা। ১০ জানুয়ারি : ২০০১ ও ২০০৭ সালে রাজ্য সরকার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে রাজ্যের গ্রুপ সি এবং গ্রুপ ডি শিক্ষক কর্মচারীদের সরকারি চাকুরি পেলেও ৫ বছর স্থায়ী বেতনে চাকুরি করতে হবে। তারপর তাদের নিয়মিত বেতনক্রম দেওয়া হবে। রাজ্য সরকারের এই দুইটি সিদ্ধান্তের বিরোধিতা করে ১৮ জন টেট শিক্ষক উচ্চ আদালতে মামলা দায়ের করে। তৎকালীন রাজ্য সরকারের এই দুইটি সিদ্ধান্তকে সংবিধান বিরোধী বলে আখ্যা দিয়ে গত ৮ জানুয়ারি খারিজ করে দিল উচ্চ আদালতের প্রধান বিচারপতির নেতৃত্বাধীন বেঞ্চ।
শনিবার আগরতলা প্রেসক্লাবে টেট টিচার্স ডেভেলপমেন্ট কমিটির পক্ষ থেকে সাংবাদিক সম্মেলন করে এ কথা জানান সংগঠনের সভাপতি বাদল পাল। সঙ্গে ছিলেন সাধারণ সম্পাদক সুবল রঞ্জন সহ অন্যান্যরা। তারা ত্রিপুরা হাইকোর্টের মধ্যে সরকারের নিয়ম নীতির চ্যালেঞ্জ করে লড়াই করেছিলেন। তাদের সাংবাদিক সম্মেলনের মূল উদ্দেশ্য হলো আদালতের রায়ে তারা জয়ী হয়েছেন। জয়ী হয়েছেন রাজ্যের স্থির বেতনের কর্মচারী মহল। আদালতের এই রায় যুগান্তকারী ও ঐতিহাসিক রায় বলে মনে করেন তারা। এর জন্য ত্রিপুরা হাইকোর্টের বিচারপতি এবং আইনজীবীদের ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন। পাশাপাশি রাজ্য সরকার এবং মুখ্যমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করে দাবি করেন আদালতে রায় মেনে যাতে নিয়মিত স্কেলে বেতন প্রদান করে সমস্ত কর্মচারীদের। সরকার যাতে আদালতের রায় যাতে অক্ষরে অক্ষরে কার্যকর করে। উল্লেখ্য, সরকার ত্রিপুরা হাইকোর্টের রায় কার্যকর করবে নাকি জনগণের পয়সা দিয়ে সুপ্রিম কোর্টে এসএলপি করবে। কারণ এই রায় কার্যকর হলে সরকারের অনেক অর্থের প্রয়োজন হবে।

