Wednesday, February 4, 2026
বাড়িবিশ্ব সংবাদ‘ধর্মীয় অবমাননার মিথ্যে অভিযোগে দীপু হত্যা, বিচার হবেই’, অডিও বার্তায় সোচ্চার হাসিনা

‘ধর্মীয় অবমাননার মিথ্যে অভিযোগে দীপু হত্যা, বিচার হবেই’, অডিও বার্তায় সোচ্চার হাসিনা

স্যন্দন ডিজিটেল ডেস্ক ২৩ ডিসেম্বর : ধর্মীয় অবমাননার মিথ্যে অভিযোগ এনে নারকীয় ভাবে হত্যা করা হয়েছে পদ্মাপাড়ের সংখ্যালঘু যুবক দীপ দাসকে। এর প্রতিবাদে অডিও বার্তায় গর্জে উঠলেন বাংলাদেশের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা । ঘটনার নিন্দা করে তিনি দাবি করেন, আমি বেঁচে থাকতে এই হত্যাকাণ্ডের বিচার করবই। পাশাপাশি বাংলাদেশের বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা মহম্মদ ইউনুসকে দায়ী করেছেন তিনি।
মঙ্গলবার এক অডিও বার্তায় হাসিনা জানান, দীপু দাস ধর্মীয় ভাবাবেগে আঘাত করা কোনও মন্তব্য করেছে, এমন প্রমাণ মেলেনি। যেভাবে পিটিয়ে এবং পুড়িয়ে সংখ্যালঘু যুবককে হত্যা করা হয়েছে তার নিন্দা করে হাসিনা বলেন, “এরা কি সেইসব মানুষ যাদের খাদ্য, শিক্ষার ব্যবস্থা করেছিলাম?” তিনি দীপু দাসের পরিবারকে ধৈর্য ধরার জন্যও আবেদন জানান। বলেন যে তিনি যতদিন বেঁচে থাকবেন, ততদিন ন্যায়বিচার নিশ্চিত করার জন্য কাজ করে যাবেন।

এর আগে বাংলাদেশে লাগাতার চল হিংসার ঘটনায় প্রধান উপদেষ্টার দিকে ঠেলে হাসিনার অভিযোগ করেন, “বাংলাদেশে যা চলছে তার জন্য দায়ী ইউনুস। দেশটাকে অরাজকতার পথে নিয়ে চলেছেন তিনি।” শুধু তাই নয়, বাংলাদেশের বর্তমান পরিস্থিতি ভারত-সহ গোটা পশ্চিম এশিয়ার জন্যও বিপদের বলে সতর্কবার্তা দিলেন হাসিনা। তিনি বলেন, ‘হাদির মৃত্যু সেই অরাজকতাকে তুলে ধরে যা আমার নির্বাচিত সরকারের পতন ঘটিয়েছিল। ইউনুসের শাসনে সেই অবস্থার আরও অবনতি ঘটেছে। হিংসা এখন ওখানে একটি সাধারণ ঘটনা। অথচ অন্তর্বর্তীকালীন সরকার এটা অস্বীকার করছে, কারণ পরিস্থিতি সামাল দিতে তারা অক্ষম।’ ইউনুস জমানায় ভারতের সঙ্গে বাংলাদেশের সম্পর্ক নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেন হাসিনা। বলেন, ‘ইউনুস প্রশাসন লাগাতার ভারত বিরোধী বয়ান দিচ্ছে। সংখ্যালঘুদের রক্ষা করতে ওরা পুরোপুরি ব্যর্থ, চরমপন্থীদের খোলা ছাড় দেওয়া হয়েছে। তাঁরাই বিদেশনীতি ঠিক করে দিচ্ছে।’

এদিকে মঙ্গলবার দীপু দাসকে নারকীয় হত্যা এবং বাংলাদেশে সংখ্যালঘুদের উপর অত্যাচারের প্রতিবাদে দিল্লি এব কলকাতার বাংলাদেশি দূতবাসের সামনে ব্যাপক বিক্ষোভ হয়। বিক্ষোভ মিছিলে নেতৃত্ব দেয়, ভিএইচপি এবং বজরং দল! তাঁরা দাবি করেন, বাংলাদেশি কর্তৃপক্ষকে দীপু হত্যা এবং সংখ্যলঘু নির্যাতন নিয়ে জবাবদিহি করতে হবে। তারা প্ল্যাকার্ড হাতে স্লোগান দেন, ‘হিন্দু হত্যা বন্ধ করো’। জমায়েতে অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা মহম্মদ ইউনুসের কুশপুতুলও পোড়ানো হয়।

সম্পরকিত প্রবন্ধ

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে
Captcha verification failed!
CAPTCHA user score failed. Please contact us!

সবচেয়ে জনপ্রিয়

সাম্প্রতিক মন্তব্য