Tuesday, February 3, 2026
বাড়িরাজ্যকেন্দ্রীয় বাজেটকে হাসির খোরাক বানাল বামেরা, কৃষকদের আত্মহত্যার দলিল বললেন পবিত্র কর

কেন্দ্রীয় বাজেটকে হাসির খোরাক বানাল বামেরা, কৃষকদের আত্মহত্যার দলিল বললেন পবিত্র কর

স্যন্দন ডিজিটাল ডেস্ক, আগরতলা।৩ ফেব্রুয়ারি : কেন্দ্রীয় সরকারের নয়া বাজেটকে জনবিরোধী বাজেট বলে দাবি করে পাঁচটি বামপন্থী ট্রেড ইউনিয়ন এবং কিষান ফ্রন্ট সহ গণসংগঠন গুলির পক্ষ থেকে বিক্ষোভ মিছিল সংগঠিত করা হয় আগরতলা শহরে। উপস্থিত ছিলেন সি.আই.টি.ইউ -র রাজ্য কমিটির সাধারণ সম্পাদক শংকর প্রসাদ দত্ত। শহরের বিভিন্ন পথ পরিক্রমা করে বিক্ষোভ মিছিলটি রাজধানীর অন্যতম বাণিজ্যিক এলাকা শকুন্তলা রোডে এসে এক সভার আয়োজন করে। উপস্থিত শংকর প্রসাদ দত্ত সরকারের তীব্র সমালোচনা করে বলেন, গত এক ফেব্রুয়ারি দেশের অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারমণ ২০২৬ সালের বাজেট পেশ করেছেন।

 দেশবাসী ভেবেছিল নারী, ক্ষেতমজুর, শ্রমিক, বেকার যুবকদের জন্য কিছু ইতিবাচক ঘোষণা থাকবে বাজেটে। কিন্তু অবাক করার বিষয় তাদের স্বার্থে ইতিবাচক ঘোষণা নেই। এমনকি রেশনিং ব্যবস্থার উপর বিগত দিন থেকে সরকার যে ভর্তুকি দিয়ে আসছিল, সেই ভর্তুকির জন্য অর্থ বরাদ্দ কমিয়ে দেওয়া হয়েছে বিগত বছর থেকে। এবং কৃষকদের জন্য বিগত বছর যে সারের ভর্তুকি ছিল, সেটা পর্যন্ত এ বছর কমিয়ে দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি শিল্প উৎপাদন বাড়ার কোনো দিশা লক্ষ্য করা গেল না নয়া বাজেটে। ফলে বেকার যুবক-যুবতীদের কাজ করার জন্য কোন সুযোগ থাকবে না। সবচেয়ে অবাক করার বিষয় হলো, ২০৪৭ সালকে লক্ষ করে এই বাজেট করা হয়েছে বলে দাবি করছে সরকার।

তাহলে কি বেকার যুবকদের ২০৪৭ সাল পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হবে? সুন্দর ভারত হলে ২১ বছর পর আজকে যুবকরা কাজ পাবে। আজকের দিনে যুবকরা কিভাবে বাচবে সেই দিশা দেখাতে পারেনি নয়া বাজেট। এদিনের কর্মসূচিতে এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন সি.আই.টি.ইউ -র রাজ্য সভাপতি মানিক দে সহ অন্যান্যরা। এদিকে সারা ভারত কৃষক সভা রাজ্য কমিটির পক্ষ থেকে আগরতলা শহরে একটি বিক্ষোভ মিছিল সংঘটিত করা হয়। মিছিল শেষে বাজেট কপি পুড়ানো হয়। সারা ভারত কৃষক সভা রাজ্য কমিটির সভাপতি পবিত্র কর বলেন, সরকার কৃষক বিরোধী কেন্দ্রীয় বাজে পেশ করেছে। এর বিরুদ্ধে আজকের কর্মসূচি। কারণ এই বাজেটে কৃষকদের জন্য কোন বরাদ্দ নেই। এই বাজেটে কৃষি ঋণ মুকুব, সহায়ক মূল্যে ফসল ক্রয় করা সম্পর্কেও কোন উল্লেখ করা হয়নি। এছাড়াও বাজেটে নতুন করে কোন প্রকল্পের উল্লেখ নেই। এর দ্বারা বোঝা যায় কৃষকরা আবার ফসল উৎপাদন করতে গেলে তাদের ঋণের ফাঁদে পা দিতে হবে। এই বাজেট কৃষকদের আত্মহত্যা দলিল হয়েছে। তাই এর বিরুদ্ধে মাঠে নেমেছে বলে জানান তিনি।

সম্পরকিত প্রবন্ধ

সবচেয়ে জনপ্রিয়

সাম্প্রতিক মন্তব্য