স্যন্দন ডিজিটাল ডেস্ক, আগরতলা। ১২ আগস্ট : ত্রিপুরা বায়োটেকনোলজি কাউন্সিল রাজ্যের স্কুল গুলিকে ব্যবহারিক বিজ্ঞান ও জৈব প্রযুক্তি বিষয়ক পরীক্ষা নিরীক্ষা করার জন্য ডিএনএ ক্লাব প্রকল্পের মাধ্যমে আর্থিক অনুদান ও কারিগরি সহায়তা প্রদান করে। এই ক্ষেত্রে স্কুল গুলিকে চার বছরে মোট ৮০ টি ব্যবহারিক বিজ্ঞান ভিত্তিক পরীক্ষা নিরীক্ষা করতে হয়। প্রতি স্কুলে ডি.এন.এ. ক্লাবে অষ্টম থেকে দ্বাদশ শ্রেণীর ন্যূনতম ১০০ জন ছাত্র-ছাত্রী ডি.এন.এ. ক্লাবের সদস্য হয়। প্রত্যেকটি নির্বাচিত স্কুলে এই ডি.এন.এ. ক্লাব -এর জন্য একজন টিচার কো-অর্ডিনেটর হিসেবে থাকেন। এখন পর্যন্ত রাজ্যে ১৭২ টি উচ্চমাধ্যমিক স্কুলে ডি.এন.এ. ক্লাব রয়েছে।
মঙ্গলবার বিজ্ঞান প্রযুক্তি ও পরিবেশ দপ্তরের মন্ত্রী অনিমেষ দেববর্মার হাত ধরে নতুন ৫০ টি ডি.এন.এ ক্লাবের উদ্বোধন হয়। ফলে রাজ্যে ডি.এন.এ ক্লাবের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২২২ টি। এদিন প্রজ্ঞাভবনে নতুন ৫০ টি স্কুলের প্রধান শিক্ষক/টিচার কো-অর্ডিনেটরদের ডি.এন.এ ক্লাবের তালিকা ভুক্ত বিজ্ঞান বিষয়ক বিভিন্ন পরীক্ষা নিরীক্ষা বাস্তবায়নের প্রশিক্ষণ প্রদান করা হয়। অনুষ্ঠানে এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন দপ্তরের প্রধান সচিব চৈতন্য মূর্তি, জৈব প্রযুক্তি দপ্তরের অধিকর্তা ও যুগ্ম অধিকর্তা।
অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে দপ্তরের মন্ত্রী অনিমেষ দেববর্মা ছাত্র- ছাত্রীদের মধ্যে জৈব প্রযুক্তি বিষয়ক চিন্তা চেতনাকে আরো সুদৃঢ় করার আহ্ববান জানান। তিনি বলেন ভবিষ্যৎ প্রজন্মের কাছে বিজ্ঞান চেতনা। এর বাস্তবায়নের মাধ্যমে বিজ্ঞান ক্ষেত্রে নতুন দিশা উন্মোচিত হবে। ত্রিপুরা বায়োটেকনোলজি কাউন্সিলের এই উদ্যোগকে তিনি সাধুবাদ জানিয়ে বলেন, আগামী বছর গুলিতে পর্যায়ক্রমে রাজ্যের প্রত্যেকটি উচ্চমাধ্যমিক স্কুলকে ডি.এন.এ ক্লাবের অন্তর্ভুক্ত করা হবে।

