স্যন্দন ডিজিটাল ডেস্ক, আগরতলা, ৬ আগস্ট :কমলপুর মহকুমার সানায়া রিয়াং পাড়ায় উদ্বোধন হলো সুরমা ডঙ্গুর তুইসুই ঝর্ণা। উদ্বোধন করেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী ডাক্তার মানিক সাহা। উপস্থিত ছিলেন পর্যটন মন্ত্রী সুশান্ত চৌধুরী, বিধায়ক মনোজ কান্তি দেব, এলাকার বিধায়িকা স্বপ্না দাস। এলাকাটি সুরমা বিধানসভার অন্তর্গত। যে স্থানে উদ্বোধন হয়েছিল সেখানে রয়েছে সোসাইটির অফিস গৃহ ও পর্যটকদের জন্য খাবারের ব্যবস্থা। প্রায় আটশো সিঁড়ি পাড় হয়ে ঝর্ণা তথা তরলিত চন্দ্রিকার অপরূপ রূপ দেখতে পাওয়া যায়। কিন্তু সেই জায়গা নিয়ে এখন সমস্যা দেখা দিয়েছে।
এলাকার বাসিন্দা থাঙ্গা ডারলং ‘র পাট্টাপ্রাপ্ত জমিতে ঝর্নায় যাবার সিঁড়ি পড়েছিল। প্রায় একশো সিঁড়ি তথা দেরকানি জমি পড়েছে থাঙ্গার। যখন তৈরী হয় তখন তার প্রায় আড়াই শতাধিক সুপারি গাছ কাটা পড়েছিল। তখন সরকার থেকে থাঙ্গাকে বলা হয়েছিল গাছের ক্ষতিপূরণ ও জায়গার মূল্য দেওয়া হবে। কিন্তু দশমাস অতিক্রান্ত হতে চললেও কোনো ক্ষতিপূরণ পাননি থাঙ্গা। তিনি এই জমি পর্যটন কেন্দ্র হিসাবে গড়ে তোলায় সরকারকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন। কিন্তু তিনি বলেন একজন গরিব লোকের জমি সরকার অধিগ্রহণ করলো, কিন্তু ক্ষতিপূরণ দেওয়া হলো না। এটা কেমন কথা? গত ৩১ অক্টোবর ২০২৪ থাঙ্গাবাবু পর্যটন নিগমের মেনেজিং ডিরেক্টর ‘র নিকট জমি ও গাছের ক্ষতিপূরণ চেয়ে চিঠি দিয়েছিলেন। কিন্তু আজ পর্যন্ত কোনো প্রতিত্তর আসেনি। আজ কমলপুর প্রেস ক্লাবে এক সাংবাদিক সম্মেলন ডেকে সমস্ত ঘটনা জানান। তিনি বলেছেন প্রয়োজনে তিনি আদালতের দ্বারস্থ হবেন।

