স্যন্দন ডিজিটাল ডেস্ক, আগরতলা, ৪ আগস্ট : তপশিলি ছাত্র-ছাত্রীদের স্টাইপেন্ড বৃদ্ধি, সরকারি বেসরকারি ক্ষেত্রে কর্মসংস্থান বর্ধিত বিদ্যুৎ মাশুল ও স্মার্ট মিটার বাতিলের দাবিতে সোমবার বিকেলে ত্রিপুরা তপশিলি জাতি সমন্বয় সমিতির বনকুমারি অঞ্চল কমিটির উদ্যোগে এটি রেলি অনুষ্ঠিত হয় এতে প্রধান বক্তা হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সিপিআইএমের রাজ্য সম্পাদক জিতেন্দ্র চৌধুরী। মিছিলটি পরিক্রমা করে বিভিন্ন পথ। যোগেন্দ্রনগর হাওড়া নদীর উপর ব্রিজ সংলগ্ন এলাকায় একটি সভা ও অনুষ্ঠিত হয় এদিন। বক্তব্য রাখতে গিয়ে সিপিআইএমের রাজ্য সম্পাদক জিতেন্দ্র চৌধুরী রাজ্যের প্রধান শাসক দল ভারতীয় জনতা পার্টি এবং কেন্দ্রের বিজেপি সরকারের পাশাপাশি তিপ্রা মথার তীব্র সমালোচনা করেন।
তিনি বলেন, এডিসি এলাকার সংকট আরো বহুমুখী। তিপ্রা মথার এসব নিয়ে কোনো ধরনের হেলদোল নেই। এডিসিকে আরো ক্ষমতাশালী, এডিসিকে আরো অর্থ দেওয়ার জন্য বামফ্রন্ট সরকার ক্ষমতায় থাকার সময়ে ২০১৮ সালে সংসদে ১২৫ তম সংবিধান সংশোধনী বিল এসেছিল। এই বিল পাস হলে কেন্দ্রীয় সরকার থেকে সরাসরি এডিসি ও নানা খাতে টাকা পাওয়ার জন্য অধিকারী হতো। আর এমনটা হলে উপকৃত হতো এডিসি এলাকার সাধারণ জনগণ।
সেই সময় থেকে আজ পর্যন্ত সাত বছর অতিক্রান্ত হয়ে গেলেও দেশের জনগণের প্রয়োজনে অপ্রয়োজনে সংসদে বহু আইন পাস হয়েছে সেই ১২৫ তম সংবিধান সংশোধনী বিল আটকে আছে। এটা নিয়ে তিপ্রা মথার কোনো স্লোগান নেই। কিন্তু বিহারে ভোটার তালিকায় এই নিবিড় সংশোধনের নামে জনগণের ভোটাধিকার কেড়ে নেওয়া, বিজেপি কে পেছনের দরজা দিয়ে সহযোগিতা করার কাজটি করছে তিপ্রা মথা। বিরোধী দলনেতা জিতেন্দ্র চৌধুরী ছাড়াও উপস্থিত ছিলেন সিপিআইএমের কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য রতন ভৌমিক, বিধায়ক রামু দাস সহ আরো অনেকেই।

