স্যন্দন ডিজিটাল ডেস্ক, আগরতলা, ৩ আগস্ট : রবিবার জিটি ইনস্টিটিউটের বর্ষপূর্তি উপলক্ষে আগরতলা টাউন হলে এক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন পরিবহন মন্ত্রী সুশান্ত চৌধুরী, বনমন্ত্রী অনিমেষ দেববর্মা, আগরতলা পুর নিগমের মেয়র দীপক মজুমদার, স্বাস্থ্য দপ্তরের সচিব কিরণ গিত্যে সহ অন্যান্যরা। অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করে মন্ত্রী সুশান্ত চৌধুরী বক্তব্য রেখে বলেন, রাজ্যে একটা বড় সংখ্যায় স্বাস্থ্যকর্মী, নার্স এবং টেকনিক্যাল কর্মীর শূন্য পদ রয়েছে। তাদের ধারাবাহিকভাবে নিয়োগ করবে সরকার।
এর জন্য জিটি ইনস্টিটিউট সহযোগিতা করবে। পাশাপাশি আগামী দিন জিটি ইনস্টিটিউট সফলতার শিকড়ে পৌঁছাবে বলে আশা ব্যক্ত করেন মন্ত্রী সুশান্ত চৌধুরী। মন্ত্রী আরও বলেন বর্তমান সরকার সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দিয়ে চলেছে শিক্ষা ও স্বাস্থ্য ক্ষেত্রে। এই দুই ক্ষেত্রে সরকার কোনরকম আপস করতে চায় না। শিক্ষা ক্ষেত্রে সরকার গুণগত শিক্ষা দেওয়ার চেষ্টা করছে। আগামী দিন রাজ্যে আরও তিন থেকে চারটি বেসরকারি কলেজ আসবে। তখন রাজ্যের ছেলে মেয়েদের পড়াশোনার ক্ষেত্রে যেমন সুবিধা হবে, তেমনি কর্মসংস্থানেরও ব্যবস্থা হবে বলে অভিমত ব্যক্ত করেন। একই সাথে এদিন মন্ত্রী এক সাক্ষাৎকারে দাবি করেন ভারত বিদ্বেষী একটা চক্রান্ত চলছে।
যারা বিভিন্ন সীমান্তের মাধ্যমে ভারতবর্ষের ত্রিপুরা রাজ্যের মধ্যে নেশা সামগ্রী পাচার করছে। নেশা সামগ্রীর পাচার এবং নেশা সেবন রুখতে মানুষের মধ্যে সামাজিকভাবে সচেতনতা আনতে হবে। না হলে নেশা বন্ধ করা সম্ভব নয়। মন্ত্রী আরো বলেন, কেন্দ্র সরকার এবং রাজ্য সরকার চাইছে কেউ যাতে নেশায় আসক্ত না হয়। নেশা থেকে যুবকদের রক্ষা করতে পুলিশদের কাজ করার স্বাধীনতা দেওয়া হয়েছে এবং রাজ্যে নেশা মুক্তি কেন্দ্র গড়ে তোলা হচ্ছে। পুলিশের দ্বারা প্রতিদিন রাজ্যের বিভিন্ন জায়গা থেকে নেশাদ্রব্য উদ্ধার করা হচ্ছে। মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশ রয়েছে যারা নেশা বিক্রি করে বা পাচার করে তাদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনে পদক্ষেপ গ্রহণ করার। এদিন আয়োজিত অনুষ্ঠানে জিটি ইনস্টিটিউটের ছেলে মেয়েদের উপস্থিতি ছিল বেশ লক্ষণীয়।

