স্যন্দন ডিজিটাল ডেস্ক, আগরতলা, ২৫ জুলাই :পুরনো নিয়োগ প্রক্রিয়া সম্পন্ন না করে সরকার নতুন করে নিয়োগ প্রক্রিয়ার প্রস্তুতি নেওয়ার তীব্র বিরোধিতা করে শিক্ষা ভবন চত্বরে বিক্ষোভে শামিল হলেন এস টি জি টি পরীক্ষার্থীরা। সরকারের উদ্দেশ্যে তাদের দাবি দ্রুত পুরনো নিয়োগ প্রক্রিয়া সম্পন্ন করার। তাদের মধ্যে এক পরীক্ষার্থী জানান, ২০২২ সালে সেপ্টেম্বর মাসে এসটিজিটি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়।
তারপর সাড়ে তিন বছর অতিক্রান্ত হয়ে গেলেও সরকার ফলাফল প্রকাশ করছে না। এবং এ নিয়োগ প্রক্রিয়ার ক্ষেত্রে সরকার সংরক্ষণ নিতির মান্যতা দেয়নি। তাই একটি মামলা করা হয়েছিল। তারপর ত্রিপুরা হাইকোর্ট সরকারকে নির্দেশ দিয়েছিল সংরক্ষণ মেনে নিয়োগ প্রক্রিয়া করার জন্য। ত্রিপুরা হাইকোর্টের রায়ের পর সুপ্রিম কোর্টে একটি এস এল পি করে রেখেছে। কিন্তু সরকার বর্তমানে যতগুলি নিয়োগ প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ করছে সবগুলি সংরক্ষণ নীতি মেনে করছে।
অথচ ২০২২ সালের এসটিজিটি -র ক্ষেত্রে সরকারের সংরক্ষণ নীতি মান্যতা দিতে কি অসুবিধা সেটা এখনো বুঝতে পারছে না পরীক্ষার্থীরা। তারা আরো জানান রাজ্যে শিক্ষক স্বল্পতা রয়েছে সেটা স্বীকার করছেন খোদ মুখ্যমন্ত্রী। বিগত বিধানসভা অধিবেশনে তথ্য দিয়ে মুখ্যমন্ত্রী জানিয়েছেন ১ হাজার ৪০০ টি এস টি জি টি -র শূন্যপদ পড়ে আছে। গত কয়েকদিন আগে লক্ষ্য করা গেছে সরকার আগের শূন্যপদ পূরণ না করে নতুন করে শূন্য পদ তৈরি করেছে। সরকারে উদ্দেশ্যে দাবি ২০২২ সালে নিয়োগ প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ করার পর যাতে নতুন করে সাত শতাধিক শূন্যপদ পূরণ করে সরকার। পাশাপাশি সরকারের উদ্দেশ্যে দাবি নতুন করে যে শূন্য পদ তৈরি করা হয়েছে সেগুলি যদি সরকার সংরক্ষণ নীতি মেনে পূরণ করার উদ্যোগ নিয়ে থাকে, তাহলে কেন ২০২২ সালের উত্তীর্ণদের নিয়োগের ক্ষেত্রে সরকার সংরক্ষণের মধ্যে মানবে না? তাদের মধ্যে অনেকে বক্তব্য, সরকার যদি অবিলম্বে ফল প্রকাশ না করে তাহলে পুনরায় মামলা করতে বাধ্য হবে তারা। কারণ তারা বয়স উত্তীর্ণ হয়ে যাচ্ছে। সরকারি এভাবে নিয়োগ প্রক্রিয়া ঝুলিয়ে রাখার তীব্র বিরোধিতা করেন তারা। পরবর্তী সময় শিক্ষা দপ্তরের অধিকর্তা এন সি শর্মার কাছে তাদের দাবি সনদ তুলে দেয়।

