Thursday, February 5, 2026
বাড়িরাজ্যপ্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মানিক সরকারের সময় মাত্র ১১২ দিনে রাজ্যের আইনশৃঙ্খলা ভেঙে পড়েছিল...

প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মানিক সরকারের সময় মাত্র ১১২ দিনে রাজ্যের আইনশৃঙ্খলা ভেঙে পড়েছিল : রাজীব ভট্টাচার্য

স্যন্দন ডিজিটাল ডেস্ক, আগরতলা, ২০ জুলাই : গত কয়েকদিন আগে রাজনগরে গিয়ে প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মানিক সরকার দাবি করেছেন, বিজেপি সরকার সন্ত্রাস দমনে ব্যর্থ। কিন্তু তিনিও সরকার পরিচালনা করেছেন। তখন কি পরিস্থিতি ছিল সেটা সকলে জানে। ১৯৯৮ সালে মানিক সরকার মুখ্যমন্ত্রী হওয়ার পর ১১২ দিনে ১১৮টি খুন হয়েছে, অপহৃত হয়েছে ৮৭ জন, ধর্ষনের শিকার হয়েছে ২৯ জন এবং নারী নির্যাতন হয়েছে ৬৬ জন। রবিবার প্রদেশ বিজেপি কার্যালয়ে এক সাংবাদিক সম্মেলন করে এ কথা বলেন প্রদেশ বিজেপি সভাপতি রাজীব ভট্টাচার্য। একই সাথে কংগ্রেস তো এক হাত নেন। কংগ্রেসের জোট আমলে সন্ত্রাস এবং দুর্নীতি সম্পর্কে রাজ্যের মানুষ জানে।

 সে কালো দিন মানুষকে আজও শিওরে তুলে, এখন কংগ্রেস এবং সিপিআইএম একসাথে হয়ে ত্রিপুরার মানুষকে নিয়ে ঘুমিয়ে ঘুমিয়ে স্বপ্ন দেখছে বলে জানান তিনি। আয়োজিত সাংবাদিক সম্মেলনে তিনি আরো বলেন, রাজ্যের বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলি স্মার্ট মিটার নিয়ে মানুষকে বিভ্রান্ত করে চলেছে। মানুষ যাতে তাদের বিভ্রান্তের ফাঁদে পা না দেয়। কারণ রাজ্যে বর্তমান যে সরকারটা রয়েছে সেটা মানুষের সরকার। কিন্তু দেখা যাচ্ছে গত কয়েকদিন ধরে স্মার্ট মিটার নিয়ে সরকারের বিরুদ্ধে বিরোধীরা যেভাবে মানুষকে বিভ্রান্ত করছে তার তীব্র নিন্দা এবং প্রতিবাদ জানায় প্রদেশ বিজেপি। তিনি আরো বলেন, কেউ যদি স্মার্ট মিটার না লাগায়, তাহলে বিদ্যুৎ নিগমের কর্মীদের জানাতে হবে কি কারনে ভোক্তা স্মার্ট মিটার লাগায়নি। সাংসদ রাজিব ভট্টাচার্য আরো বলেন ত্রিপুরা সরকার ই-অফিস, ই-বিধানসভা এবং সচিবালয়, ই-ক্লাস রুম এবং ই -রেশনিং ব্যবস্থা করছে। এরই অঙ্গ স্মার্ট মিটার। স্মার্ট মিটার দ্বারা ই-অফিস, ই-বিধানসভা এবং সচিবালয়, ই-ক্লাস রুম এবং ই রেশনিং ব্যবস্থার মত স্বচ্ছতা বজায় থাকবে।

 তাই কেন্দ্র সরকার সিদ্ধান্ত নিয়েছে দেশের বিভিন্ন রাজ্যে স্মার্ট মিটার বসানো হচ্ছে। ত্রিপুরাতেও এখন পর্যন্ত প্রায় ৯৫ হাজারের অধিক স্মার্ট মিটার বসানো হয়েছে। সাংবাদিক সম্মেলনে সাংসদ তথা প্রদেশ বিজেপি সভাপতি আর দাবি করেন গত কয়েকদিনে খোয়াই সহ বিভিন্ন জায়গায় লক্ষ লক্ষ টাকা বিদ্যুৎ বিল সামনে উঠে এসেছে। পরবর্তী সময়ে তদন্ত করে দেখা গেছে তারা বিদ্যুৎ বিলে কারচুপি করার কারণে বর্তমানে বিলের পরিমাণ পাহাড় সমান হয়েছে বলে জানান তিনি। উল্লেখ্য সামাজিক মাধ্যমে মানুষ প্রশ্ন তুলছে রাজ্যের বিদ্যুৎ পরিষেবা যারা বেআইনিভাবে গ্রহন করছে তাদের নিয়ে। কারণ রাজ্যের গ্রাম পাহাড়ে প্রচুর মানুষ এখনো হুক লাইন ব্যবহার করে চলেছে। আর হুক লাইন বন্ধ করতে ব্যর্থ সরকার এবং বিদ্যুৎ নিগম। শুধুমাত্র জনগণের উপর চাপ বৃদ্ধি করে চলেছে বলে দাবি অনেকের। আয়োজিত এই দিনের সাংবাদিক সম্মেলনে এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন উপদেশ বিজেপির সাধারণ সম্পাদক বিপিন দেববর্মা।

সম্পরকিত প্রবন্ধ

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে
Captcha verification failed!
CAPTCHA user score failed. Please contact us!

সবচেয়ে জনপ্রিয়

সাম্প্রতিক মন্তব্য