স্যন্দন ডিজিটাল ডেস্ক, আগরতলা, ১২ জুলাই : শনিবার জনগণের মন কি বাত প্রচারপত্র নিয়ে আগরতলা পৌর নিগমের ২১ নং ওয়ার্ড এলাকার লাল বাহাদুর এলাকায় গেলেন বিধায়ক গোপালচন্দ্র রায়। বাড়ি বাড়ি বিজেপি-র সমালোচনা করে লিফলেট বিতরণ করেন। এলাকাবাসীর সাথে কথা বলতে গিয়ে তিনি বলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ওনার মন কি বাত বলেন, কিন্তু জনগণের মন কি বাত শোনেন না। এদিকে এলাকাবাসীর পক্ষ থেকে বিধায়ক গোপাল রায়কে কাছে পেয়ে দাবি করেন এলাকায় পানীয় জলের সংকট চলছে।
এ বিষয়ে এলাকাবাসীর পক্ষ থেকে অভিযোগ পেয়ে আন্দোলনে নামার সিদ্ধান্ত নিলেন বিধায়ক। তিনি নিজ বিধানসভার কেন্দ্রের সার্বিক বিষয় নিয়ে বলেন, সম্প্রতি প্রতাপগড় ১ নং রোড এলাকায় কংগ্রেসের সভার উপর আক্রমণ করেছে শাসক দল। তারপর নাম দিয়ে পুলিশের কাছে মামলা করা হয়। অথচ এখন পর্যন্ত একজন কেউ পুলিশ গ্রেপ্তার করেনি। তিনি আরো বলেন একজন সাংসদ দাবি করছেন কংগ্রেস নাকি সমাজদ্রোহী নিয়ে চলাফেরা করে। কিন্তু সেই সাংসদ নিজে একজন ১ নং সমাজদ্রোহী। নাম না করে সে সাংসদকে কাঠগড়ায় তুলে বলেন সমাজসেবী থেকে তিনি সমাজ দ্রোহী হয়েছেন। ২০২৩ সালে বিধায়ক হতে না পেরে পাগল হয়ে গেছেন। সম্প্রতি কংগ্রেসের ওয়ার্ড সভায় আক্রমণ করা দুর্বৃত্তরা এই সংসদের পেছনের সদস্য। তাদের বিরুদ্ধে থানায় মামলা করা হয়েছে। এ বিষয়ে পুলিশের কাছে নিরাপত্তা চাওয়া হলে পুলিশ বলছে তাদের কাছে পর্যাপ্ত পুলিশ কর্মী নেই। রাজ্যের ৭ থেকে ৮ হাজার শূন্যপদ সৃষ্টি হয়ে আছে পুলিশে। অথচ সরকার নিয়োগ করছে না। তিনি মুখ্যমন্ত্রীর উদ্দেশ্যে দাবি করেন, রাজ্যে যাতে আইনশৃঙ্খলা সঠিকভাবে পরিচালনা করা হয়। বিধায়ক গোপাল রায় আরো বলেন, স্মার্ট মিটারের নাম করে জনগণের পকেট স্মার্ট ভাবে কাটার উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। এই স্মার্ট মিটারে বিরোধিতা করা হচ্ছে। স্মার্ট মিটারের কারণে জনগণের আয় থেকে ব্যয় হবে বেশি। এবং এ স্মার্ট মিটার নিয়ে পশ্চিমবঙ্গে সরকারের বিরোধিতা করছে সেই রাজ্যের বিরোধী দল বিজেপি। তাহলে ত্রিপুরায় কেন স্মার্ট মিটার বসানোর উদ্যোগ নিয়েছে বিজেপি সরকার? প্রশ্ন তোলেন বিদ্যুৎ মন্ত্রী রতনলাল নাথের উদ্দেশ্যে বিধায়ক গোপাল রায়। তিনি আরো বলেন, বর্তমান সরকার জনগণের উপর বিদ্যুৎ মাসুল বৃদ্ধি করেছে, বাড়ির কর বাড়িয়েছে এবং এখন স্মার্ট মিটার বসানো হচ্ছে। এগুলির বিরুদ্ধে আগামী দিন কংগ্রেসের আন্দোলন অব্যাহত থাকবে বলে জানিয়েছে বিধায়ক।

