স্যন্দন ডিজিটাল ডেস্ক, আগরতলা, ৩০ জুন : সোমবার প্রদেশ মহিলা মোর্চার উদ্যোগে রাজধানীর মুক্তধারা অডিটরিয়ামে অনুষ্ঠিত হয় মক পার্লামেন্ট। উপস্থিত ছিলেন মুখ্যমন্ত্রী ডাক্তার মানিক সাহা, সংসদ রাজীব ভট্টাচার্য, প্রদেশ বিজেপি সহ-সভাপতি ভগবান চন্দ্র দাস, মন্ত্রী সুশান্ত চৌধুরী, প্রদেশ মহিলা মোর্চা সভাপতি মিমি মজুমদার সহ অন্যান্যরা। এইদিনের মক পার্লামেন্টে আলোচনা করতে গিয়ে মুখ্যমন্ত্রী ডাক্তার মানিক সাহা দেশের জরুরী অবস্থার কথা তুলে ধরে বলেন, অখণ্ড ভারতবর্ষের জন্য আত্মবলিদান করেছিলেন শ্যামা প্রসাদ মুখার্জি।
ওনার মৃত্যুর পর জম্মু-কাশ্মীরের পারমিট প্রথা উঠে যায়। সংবিধানকে মর্যাদা দেওয়ার জন্য বিজেপি সরকার কাজ করে যাচ্ছে বলে দাবি করেন মুখ্যমন্ত্রী। দেশে কোন পরিস্থিতিতে ইন্দিরা গান্ধী জরুরী অবস্থা ঘোষণা করেছিলেন তা তুলে ধরেন মুখ্যমন্ত্রী ডাক্তার মানিক সাহা। এই জরুরি অবস্থা দ্বারা গণতন্ত্রকে হত্যা করা হয়েছিল। আক্রান্ত হয়েছিল গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভ সাংবাদিকরাও। উদ্বেগ জনক বিষয় হলো, সে সময় মানুষের দোকানপাট, বাড়িঘর ভেঙে দেয়। উনার সুপুত্র সঞ্জয় গান্ধী মানুষকে রাস্তায় ধরে মারধর করেছেন। যার কারনে ব্যাপক আন্দোলন গড়ে উঠেছিল। সেই আন্দোলনের কারনে দেশে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা হয়েছে। সেই সকল ঘটনার বিষয়ে সকলকে জানতে হবে। সেই কালোদিন আর ফিরে আসবে না বলেও আশা ব্যক্ত করেন মুখ্যমন্ত্রী।
তিনি আরও বলেন, অখণ্ড ভারতবর্ষের জন্য আত্মবলিদান করেছিলেন শ্যামা প্রসাদ মুখার্জি। ওনার মৃত্যুর পর জম্মু-কাশ্মীরের পারমিট প্রথা উঠে যায়। সংবিধানকে মর্যাদা দেওয়ার জন্য বিজেপি সরকার কাজ করে যাচ্ছে বলে দাবি করেন মুখ্যমন্ত্রী। মুখ্যমন্ত্রী বর্তমান ছেলেমেয়েদের উদ্দেশ্যে বলেন, যাদের পরিবারের কেউ কোনদিন রাজনীতি করে নি। সেই সকল পরিবারের ছেলে মেয়েদের রাজনীতিতে নিয়ে আসতে হবে। প্রধানমন্ত্রীও এই কথা বলছেন। অনেকে রাজনীতিতে আসতে চায় না। অভিভাবকরা ভয় পায়। কিন্তু রাজ্যের ছেলেমেয়েদের মধ্যে প্রতিভা হয়েছে। তারা এগিয়ে আসলে দেশের এবং রাজ্যের উন্নয়ন হবে। মুখ্যমন্ত্রী বলেন, যুবক যুবতীরা জরুরি অবস্থা সম্পর্কে অনেকে কিছু জানে না। কিন্তু তা জানতে হবে। বিশেষ করে জরুরী অবস্থার বিষয়ে নতুন প্রজন্মকে জানতে হবে বলে অভিমত ব্যক্ত করেন মুখ্যমন্ত্রী। এইদিনের মক পার্লামেন্টে মহিলাদের অংশগ্রহণ ছিল লক্ষ্যনীয়।

