স্যন্দন ডিজিটাল ডেস্ক, আগরতলা, ৩০ জুন :প্রদেশ বিজেপি -র সভাপতি নির্বাচন স্থগিত হয়ে যাওয়া নিয়ে শাসকদলকে কোনঠাসা করলেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা তথা পলিটব্যুরোর সদস্য জিতেন্দ্র চৌধুরী। তিনি এক সাক্ষাৎকার দিয়ে বলেন, রবিবার ভারতীয় জনতা পার্টির প্রদেশ সভাপতি নির্বাচনের কথা ছিল। যদিও এ ধরনের নির্বাচন হয় রাজনৈতিক দল কিংবা সংগঠন সম্মেলনের মধ্য দিয়ে। কিন্তু বিজেপি-র তো এই রেওয়াজ নেই। বিজেপি -র নেতৃত্ব একেবারে ঢাল ঢোল পিটিয়ে প্রদেশ সভাপতি নির্বাচনের জন্য বাইরে থেকে অবজারভার এবং রিটার্নিং অফিসার নিয়োগ করেছিলেন। কিন্তু আশ্চর্যের বিষয় তাদের স্থগিত করতে হলো প্রদেশ সভাপতি নির্বাচন।
আবার মুখে দাবি করেন বিজেপি বিজেপি সর্বোচ্চ গণতান্ত্রিক রাজনৈতিক দল। কিন্তু দেখা গেছে, ২০২৪ সালের মে মাস থেকে প্রদেশ বিজেপি সভাপতি নির্বাচনের জন্য চেষ্টা করছেন। অথচ চলতি বছর জুন মাস অতিক্রান্ত হয়ে যাচ্ছে। এখন পর্যন্ত সভাপতি নির্বাচন করতে পারছে না দল। দুর্ভাগ্যের বিষয় নির্বাচনের ঘোষণা দিয়েও আবার স্থগিত করে সকল নেতৃত্ব বড় বড় সুটকেস নিয়ে দিল্লির পাড়ি দিয়েছেন। তিনি বিজেপিকে আক্রমণ করে আরো বলেন, কোন রাজনৈতিক দল যদি জনগণের স্বার্থে কাজ করে তাহলে কেন সে রাজনৈতিক দলের বড় বড় সুটকেসের দরকার হবে? এইগুলি বলছে জনগণ। এভাবেই রাজ্যে গণতন্ত্রের জবাই হচ্ছে। আইনশৃঙ্খলার বিশৃঙ্খলা, যার ফলে রাজ্য মাতব্বরদের হাতে চলে যাচ্ছে। তাই ত্রিপুরা রাজ্যের ৪৪ লক্ষ মানুষের বাঁচার অধিকার, জীবনের অধিকার, রোজগারের অধিকার, শান্তিতে থাকার অধিকার এবং ভোট দেওয়ার অধিকার আজকে ভুলুণ্ঠিত হচ্ছে। এটাই বর্তমানে ত্রিপুরা রাজ্যের চিত্র।
এটা রাজ্যের জন্য দুর্ভাগ্যে। এর বিরুদ্ধে সকলকে মুখ খুলতে হবে। যারা বিজেপির ভেতরে আছে তারাও গণতন্ত্র উন্নয়ন এবং শান্তি চায় তাদের উদ্দেশ্য এই অনুরোধ করা হচ্ছে। কারণ রাজ্যকে বাঁচানো শুধু একা বিরোধী দলের দায়িত্ব নয়, এই দায়িত্ব সকলের। কারণ ত্রিপুরা রাজ্যে আইনের শাসন ভেঙে পড়েছে সেটা বিরোধী দল বলে দাবি করছি এমনটা নয়। শাসক দলের একটা বড় অংশ রাজ্যের শান্তি সম্প্রীতি চায়। তা নিয়ে কোনরকম সন্দেহ নেই।

