Saturday, September 26, 2026
বাড়ি রাজ্য বেকারদের অযথা রাস্তায় নেমে আন্দোলনের প্রয়োজন নেই, আন্দোলন করলে বেশি চাকুরি হবে এমন কোন কথা নয় : মুখ্যমন্ত্রী

বেকারদের অযথা রাস্তায় নেমে আন্দোলনের প্রয়োজন নেই, আন্দোলন করলে বেশি চাকুরি হবে এমন কোন কথা নয় : মুখ্যমন্ত্রী

বেকারদের অযথা রাস্তায় নেমে আন্দোলনের প্রয়োজন নেই, আন্দোলন করলে বেশি চাকুরি হবে এমন কোন কথা নয় : মুখ্যমন্ত্রী

স্যন্দন ডিজিটাল ডেস্ক, আগরতলা, ৩০ এপ্রিল :টেট পরীক্ষায় বসা বেকারদের অযথা রাস্তায় নেমে আন্দোলনের প্রয়োজন নেই। আন্দোলন করলে বেশি চাকরি হবে এমন কোন কথা নেই। কারণ বর্তমান সরকার এমনিতেই বেকার বান্ধব। সরকার নির্দিষ্ট পদ্ধতি মেনে স্বচ্ছভাবে চাকরী প্রক্রিয়া সম্পন্ন করছে। স্বচ্ছতার মাধ্যমে নিয়োগ প্রক্রিয়া সম্পন্ন হবে। বুধবার নজরুল কলাক্ষেত্রে গ্র্যাজুয়েট এবং আন্ডার গ্র্যাজুয়েট চাকরির অফার তুলে দিয়ে মুখ্যমন্ত্রী ডাক্তার মানিক সাহা এই কথা বলেন।

বুধবার রাজধানীর নজরুল কলাক্ষেত্রে এক অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে শিক্ষা দপ্তরের অধীন ২২৮ জনের হাতে নিয়োগ পত্র তুলে দেওয়া হয়। এর মধ্যে ৬৬ জন আন্ডার গেজুয়েট টিচার এবং ১৬২ জন গ্যাজুয়েট টিচার। এই নিয়োগ পত্র বিলি অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করেন মুখ্যমন্ত্রী ডাক্তার মানিক সাহা। প্রদীপ প্রজ্জ্বলনের মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করেন মুখ্যমন্ত্রী। অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে মুখ্যমন্ত্রী শূন্যপদ পূরণের তথ্য প্রমাণ দিয়ে বলেন, বর্তমান সরকার স্বচ্ছ নিয়োগ নীতিতে পরীক্ষা গ্রহণ করে এবং ড্রাই হার্নেসের ১৭ হাজার ৫৫৪ জনকে সরকারি চাকরি প্রদান করেছে। রাজ্যে কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা দ্রুত বৃদ্ধি পেয়েছে। যার ফলে বর্তমানে বেকারত্বের হার কমেছে। ২০১৮-১৯ অর্থবছরে রাজ্যের বেকারত্বের হার জাতীয় বেকারত্বের হার থেকে অনেক বেশি ছিল।

 তখন জাতীয় গড় ছিল ৫.৮ শতাংশ, সেখানে ত্রিপুরার গড় ছিল ১০ শতাংশ। আর ২০২৩-২৪ অর্থবছরে জাতীয় বেকারত্বের হার ৩.২ শতাংশ এবং ত্রিপুরাতে বেকারত্বের হার ১.৭ শতাংশ। এই তথ্য প্রমাণ করে রাজ্যে চাকরির পাশাপাশি কর্মসংস্থানেরও ব্যবস্থা করছে সরকার। সারা দেশেও প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি এটি সাংঘাতিকভাবে গুরুত্ব দিচ্ছেন বলে দাবি করেন মুখ্যমন্ত্রী। মন্ত্রী কর্মসংস্থানের বিষয়ে তথ্য প্রমাণ দিয়ে আরো বলেন, ৫ হাজার ৭০০ অধিক কন্টাকচুয়াল চাকরি হয়েছে।সরকারি এবং বেসরকারি সংস্থার সিকিউরিটি গার্ডে ২৯০০ জনের অধিক লোক নিয়োগ করা হয়েছে। ত্রিপুরা ইন্ডাস্ট্রিয়াল ডেভেলপমেন্ট কর্পোরেশনের মাধ্যমে গত তিন বছরে ১ হাজার ৬০০ এর অধিক কর্মী নিয়োগ করা হয়েছে। ন্যাশনাল সার্ভিস প্রজেক্টের মাধ্যমে আগরতলা, ধর্মনগর এবং কৈলা শহরে তিনটি মডেল ক্যারিয়ার সেন্টার স্থাপন করা হয়েছে। এই তিনটি মডেল ক্যারিয়ার সেন্টারের মধ্যে জব ফেয়ার অনুষ্ঠিত হচ্ছে।

 একই সাথে ক্যারিয়ার এক্সিবেশন অনুষ্ঠিত হয়েছে রাজ্যে। এর মধ্যে রাজ্যের দুই শতাধিকের ছাত্র-ছাত্রী অংশগ্রহণ করেছে। অগ্নিবীর প্রকল্পে ২৮ টি সচেতনমূলক কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়। তিন হাজারের অধিক চাকরি প্রত্যাশী সেখানে অংশগ্রহণ করে। মুখ্যমন্ত্রী আরও বলেন বর্তমান সরকার চায়, প্রশাসনের স্বচ্ছতার সাথে সাথে যেন গতি আরো বেশি আসে। তাই বিভিন্ন দপ্তরের শূন্যপদ পূরণ করার পাশাপাশি নতুন করে আবার শূন্যপদ তৈরি করা হয়। অনুষ্ঠান শেষে মুখ্যমন্ত্রী চাকরিপ্রাপ্যদের হাতে অফার তুলে দেন। অনুষ্ঠানে ত্রিপুরা বিধানসভার মুখ্য সচেতন কল্যাণী রায় সহ শিক্ষা দপ্তরের আধিকারিকরা উপস্থিত ছিলেন।

Abhishek Dey
সাংবাদিক (Journalist)

মন্তব্য সমূহ (0)

  • এখনো কোনো মন্তব্য করা হয়নি। প্রথম মন্তব্যকারী হোন!

আপনার মতামত জানান

Captcha