Saturday, June 15, 2024
বাড়িরাজ্যরক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ মন্ত্রীর বিধানসভা কেন্দ্রে, খবর পেয়ে থানায় ছুটে গেলেন মন্ত্রী

রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ মন্ত্রীর বিধানসভা কেন্দ্রে, খবর পেয়ে থানায় ছুটে গেলেন মন্ত্রী

স্যন্দন ডিজিটাল ডেস্ক। আগরতলা। ৬ জুন : মন্ত্রী বিকাশ দেববর্মার নির্বাচনী কেন্দ্রে বিজেপি -র স্ব-দলীয় গোষ্ঠী কোন্দল ঘিরে ভয়াবহ রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। বৃহস্পতিবার কৃষ্ণপুর বিধানসভা কেন্দ্রের অন্তর্গত তেলিয়ামুড়া থানা এলাকার গোলাবাড়ি কৃষ্ণপুর এলাকার বিজেপি দলের কর্মী বাপন দাসের উপর আক্রমণের ঘটনা সংগঠিত হয়, শুধু তাই নয় বাপনকে আক্রমণ করার পাশাপাশি তার মোটর বাইক ভেঙ্গে গুঁড়িয়ে দেওয়া হয় বলেও অভিযোগ।

 আহত বাপন দাস জানান, এই ঘটনার পেছনে রয়েছে কৃষ্ণপুর মন্ডলের যুব মোর্চার সভাপতি নির্মল দেবনাথ, বিজেপি দলের খোয়াই জেলা কমিটির সম্পাদক বিজন কর জড়িত। স্বাভাবিকভাবেই এই ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে ব্যাপক আতঙ্ক তৈরি হয়েছে এবং এভাবে স্ব-দলীয় সংঘাতের ঘটনা ছড়াতে থাকায় দলীয় বিভিন্ন স্তরের কর্মী সমর্থক থেকে শুরু করে সাধারণ মানুষের মধ্যে আতঙ্ক বৃদ্ধি পাচ্ছে।

এই ঘটনার রেশ কাটতে না কাটতেই কৃষ্ণপুর বিধানসভা এলাকার গোলাবাড়ি এলাকাতেই বিজেপির বুথ সভাপতি মানিক ঘোষের বাড়িতে রাত আনুমানিক দেড়টা থেকে দুইটা নাগাদ সঙ্ঘবদ্ধভাবে আক্রমণের ঘটনা সংঘটিত হয়। এই ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে কৃষ্ণপুর বিধানসভা কেন্দ্রের বিজেপির ১৫ নং বুথের বুথ সভাপতি মানিক ঘোষের অভিযোগ, তার বাড়িতে যারা আক্রমণ করেছে তাদের মধ্যে এলাকারই বিজেপি দলের চুনোপুঁটি সৌরভ দাস যুক্ত রয়েছে এবং এলাকাবাসী সৌরভের স্বীকারোক্তিমূলে তাকে আটক করে ইতিমধ্যে তেলিয়ামুড়া থানার পুলিশের হাতে তুলে দিয়েছে। তিনি আরো জানান, তার বাড়িতে আক্রমণের ঘটনার পেছনে কোনভাবেই অন্য কোন দলের কর্মী সমর্থকরা জড়িত নয়, নিজ দলের একাংশই যে এই ঘটনা ঘটিয়েছে তা তিনি নিশ্চিত। তবে কি কারণে এই ঘটনা ঘটছে তা তিনি বুঝতে পারছেন না। জানা যায়, ২৯ কৃষ্ণপুর মন্ডলের যুব মোর্চার সভাপতি নির্মল দেবনাথ, বিজেপি নেতা বিজন কর এবং বিজয় ঘোষ এই তিনজনের নামে তেলিয়ামুড়া থানায় এফ.আই.আর করা হয়েছে। এখন দেখার বিষয় পুলিশ এ বিষয়ে কি পদক্ষেপ গ্রহণ করে। বৃহস্পতিবার রাতে পর পর স্ব-দলীয় কর্মী সমর্থকদের উপর এবং বাড়ি ঘরে  হামলা হুজ্জুতির ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে গোটা এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়ে। এদিকে খবর পেয়ে বৃহস্পতিবার দুপুরে মন্ত্রী ছুটে যান তেলিয়ামুড়া থানায়। সেখানে গিয়ে মন্ত্রী কথা বলেন থানার ওসির সাথে। পরবর্তী সময় সংবাদ মাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে মন্ত্রী এই ঘটনা অস্বীকার করে বললেন এগুলি কিছু নয়। এলাকার শান্তি সম্প্রীতি বজায় রাখার জন্য তিনি এ ধরনের আলোচনা ওসি সাহেবের সাথে প্রতিনিয়তই করেন।

সম্পরকিত প্রবন্ধ

সবচেয়ে জনপ্রিয়

সাম্প্রতিক মন্তব্য