Friday, February 6, 2026
বাড়িরাজ্যসকল জেলায় লাল সতর্কতা জারি

সকল জেলায় লাল সতর্কতা জারি

স্যন্দন ডিজিটাল ডেস্ক, আগরতলা, ১ জুন :ভারতের আবহাওয়া অধিদপ্তর আগরতলা কেন্দ্র কর্তৃক জারি করা প্রেস বিজ্ঞপ্তি অনুসারে সক্রিয় মৌসুমি বায়ু এবং বাতাসে  উল্লেখযোগ্য পরিমাণে আর্দ্রতার কারণে ৩১ মে এবং ১ জুন সমগ্র ত্রিপুরা জুড়ে ব্যাপকভাবে ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টিপাত হয়েছে। আগামীকালও কিছু কিছু জায়গায় ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা রয়েছে। তাই সকল জেলায় লাল সতর্কতা জারি করা হয়েছে। মুখ্যমন্ত্রী নিয়মিত পরিস্থিতি পর্যালোচনা করছেন। প্রবল বর্ষণের ফলে পশ্চিম জেলা, ঊনকোটি জেলা ও উত্তর ত্রিপুরা জেলায় ব্যাপক প্রভাব পড়েছে।

রবিবার সন্ধ্যায় মহাকরণে সাংবাদিক সম্মেলন করে এমনটা জানান রাজস্ব দপ্তরের সচিব ব্রিজেস পান্ডে। সাংবাদিক সম্মেলনে তিনি আরও জানান শেষ ২৪ ঘন্টায় পশ্চিম জেলার বোধজং নগরে সর্বাধিক ১৯৮.৫ মিমি, ঊনকোটি জেলার কৈলাশহরে ১৯২.২ মিমি, পশ্চিম জেলার জিরানিয়ায় ১৭৫.৫ মিমি এবং পশ্চিম জেলার আগরতলায় ১৪০ মিমি বৃষ্টি পাত হয়েছে। পশ্চিম ত্রিপুরা এবং উনাকোটি জেলার বিভিন্ন স্থানে মোট ১৪ টি উদ্ধারকারি দল মোতায়েন করা হয়েছে। ক্ষতিগ্রস্ত জেলা গুলিতে মোট ৬০ টি ত্রাণ শিবির খোলা হয়েছে। তার মধ্যে পশ্চিম ত্রিপুরা জেলায় ৪৮ টি, খোয়াই জেলায় ৩ টি, উনকোটি জেলায় ৩ টি এবং উত্তর ত্রিপুরা জেলায় ৬ টি ত্রান শিবির খোলা হয়েছে। এই ত্রান শিবির গুলিতে প্রায় ২ হাজার ৮০০ পরিবারের ১০ হাজার ৬০০ জন শরণার্থী আশ্রয় নিয়েছে। উত্তর ত্রিপুরা, উনাকোটি, ধলাই এবং পশ্চিম ত্রিপুরা জেলায় গাছ পড়ে এবং ভূমিধসের কারণে বেশ কয়েকটি রাস্তা সাময়িকভাবে বন্ধ ছিল। প্রাথমিক তথ্য অনুসারে মোট ২০১ টি বাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। যার মধ্যে ৯২ টি বাড়ি মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, এবং ১০৯ টি বাড়ি আংশিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। হাওড়া নদীর জল স্তর বিকেল ৫ টায় ১০.৯১ মিটার ছিল, যা বিপদসীমার উপরে। তবে সকাল থেকে জল স্থিতিশীল ছিল। গত এক ঘন্টায় জল নামতে শুরু করেছে। নদী গুলির জল স্তরের উপর নজর রাখা হচ্ছে বলে জানান তিনি। সাংবাদিক সম্মেলন রাজস্ব সচিব আরও জানান মুখ্যমন্ত্রী ডাক্তার মানিক সাহা, সংসদ রাজীব ভট্টাচার্য, আগরতলা পুর নিগমের মেয়র দীপক মজুমদার, রাজস্ব সচিব ব্রিজেস পান্ডে, পশ্চিম ত্রিপুরার জেলা শাসক ডাঃ বিশাল কুমার, জেলা পুলিশ সুপার সহ অন্যান্য আধিকারিকরা রবিবার বিকালে বন্যা কবলিত এলাকা, চন্দ্রপুর, প্রতাপগড় ইংলিশ মিডিয়াম স্কুল, বিবেকানন্দ স্কুল, প্রগতি স্কুল, তুলসীবতি স্কুল এবং বি. আর. আম্বেদকর স্কুলের ত্রাণ শিবির ঘুরে দেখেন। পরিদর্শনকালে, মুখ্যমন্ত্রী বন্যা কবলিতদের সাথে কথা বলেন। রাজস্ব সচিব আরও জানান আগরতলা শহরে ১৭ টি পাম্প হাউস রয়েছে। যা হাওড়া এবং কাটাখাল নদীতে শহরের জল নিষ্কাশন করে। এই পাম্প গুলি সচল রয়েছে।

সম্পরকিত প্রবন্ধ

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে
Captcha verification failed!
CAPTCHA user score failed. Please contact us!

সবচেয়ে জনপ্রিয়

সাম্প্রতিক মন্তব্য