Friday, May 20, 2022
বাড়িরাজ্যবিধানসভা নিয়ে কটাক্ষ করলেন বিরোধী দলনেতা

বিধানসভা নিয়ে কটাক্ষ করলেন বিরোধী দলনেতা

স্যন্দন ডিজিটাল ডেস্ক। আগরতলা। ৪ মার্চ : লোক দেখানো, ঢং দেখানো একটি বিধানসভা আছে! ২০১৮ বিধানসভা নির্বাচনে বিজেপি প্রতিষ্ঠিত হওয়ার পর অনেকেই লোকসভা নির্বাচন, নগর নির্বাচন সহ অন্যান্য নির্বাচনে ভোট দিতে পারে নি। দীর্ঘ ২০ বছরের মুখ্যমন্ত্রী কর্মী সমর্থকদের বাড়িতে যেতে পারছে না। আক্রান্তদের দেখতে গিয়ে নিজে আক্রান্ত হতে হচ্ছে। এ ধরনের প্রতিকূল পরিস্থিতির মধ্যে রাজ্যে বামফ্রন্ট সংগঠনগুলি এগিয়ে আসতে শুরু করেছে। ২৩ তম রাজ্য সম্মেলনে এটা পরিস্কার হয়ে গেছে। শুক্রবার টাউনহলে নারায়ণ রুপিনি স্মরণসভায় বক্তব্য রাখতে গিয়ে এমনটাই বললেন বিরোধী দলনেতা মানিক সরকার।

 তিনি বলেন ২০১৯ সালে দেশে ভারতীয় জনতা পার্টি সরকার প্রতিষ্ঠিত হওয়ার পর দেশবাসীর মধ্যে আক্রমণ নামিয়ে আনা হয়েছে। শিক্ষক কর্মচারী, কৃষক-শ্রমিক সকলে আন্দোলনে নামেছে। কারন মানুষ বুঝতে পারছে এই সরকারের কাছ থেকে আর কিছু পাওয়ার নেই। তাই ভারতীয় জনতা পার্টি জাতি-ধর্ম-বর্ণ নামে মানুষের মধ্যে বিভক্ত করতে চাইছে। গণতান্ত্রিক শক্তি দুর্বল করার চেষ্টা করছে। কিন্তু এটা শক্তির লক্ষণ নয়। সেই ধারায় ত্রিপুরাও চলছে। তাই এই পরিস্থিতি থেকে বের হয়ে আসতে সি পি আই এম-এর ২৩ তম রাজ্য সম্মেলন থেকে সুসংবদ্ধ ভাবে লড়াই করতে বলা হয়েছে। এবং মানুষের সাথে দলের কর্মীদের নিবিড় সম্পর্ক গড়ে তুলতে বলা হয়েছে। আর এর জন্য নতুন করে উদ্যোগ এবং উদ্দীপনা নিতে হবে। আর এখন নতুন করে সংযোজন হয়েছে জাতি উপজাতির মধ্যে বিভেদ সৃষ্টি করা। যদি এটা কোনো নতুন বিষয় নয়। রাজ আমল থেকে এ ধরনের বিভেদ সৃষ্টি করার প্রচেষ্টা হয়েছে। কিন্তু কমিউনিস্টদের কাছে জাতপাত, সম্প্রদায় বলতে কোন কিছু নেই। আর কেউ যদি জাতপাত, সম্প্রদায়ের মধ্যে বিভেদ সৃষ্টি করে তাহলে সেটা হবে কমিউনিস্ট বিরোধী। তাই আদর্শের লড়াই, শ্রেণি দৃষ্টিভঙ্গি এবং গণতান্ত্রিক লড়াই এগিয়ে যেতে হবে। শুধুমাত্র ঘরে বসে থাকলে চলবে না। মাঠে নামতে হবে কর্মীদের। আর এটাই নারায়ণ রূপিনীর আদর্শ ছিল। শ্রেনী ভঙ্গি নিয়ে দলকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেছেন তিনি। নারায়ণ রূপিণী কখনো নিজের কথা ভাবেনি, কথা এবং কাজের মধ্য সমন্বয় সৃষ্টি করে এগিয়ে গেছেন। এটাই ছিল তাঁর জীবনের পথ প্রদর্শক। না হলে কত মন্ত্রী এবং কত বিধায়ক আসে যায়। কে মনে রাখে। ইতিহাস এত কে মনে রাখবে। তাই নারায়ণ রূপিনীকে পথপ্রদর্শক বলে জানান তিনি। স্মরণ সভায় উপস্থিত ছিলেন দলের অন্যান্য নেতৃবৃন্দ। স্মরণসভায় নারায়ণ রূপিণীর প্রতিকৃতিতে পুষ্পার্ঘ্য অর্পণ করে শ্রদ্ধা জানান দলের নেতৃবৃন্দ।

সম্পরকিত প্রবন্ধ

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে

সবচেয়ে জনপ্রিয়

সাম্প্রতিক মন্তব্য