Monday, February 23, 2026
বাড়িরাজ্যজমির দালালি নিয়ে রাষ্ট্রবাদী মাফিয়াদের স্বদলীয় সন্ত্রাস আহত ১

জমির দালালি নিয়ে রাষ্ট্রবাদী মাফিয়াদের স্বদলীয় সন্ত্রাস আহত ১

স্যন্দন ডিজিটাল ডেস্ক, আগরতলা। ২৩ ফেব্রুয়ারি :সুশাসন জমানায় জমির দালালি নিয়ে রাষ্ট্রবাদী মাফিয়াদের স্বদলীয় সন্ত্রাস রাজধানীর লঙ্কামুড়া এলাকার ঘোষপাড়ায়। ঘটনা বিজেপি-র মন্ডল সদস্য প্রাক্তন বুথ সভাপতি বিকাশ ঘোষ এবং বর্তমান বুথ সভাপতি তপন ঘোষের সঙ্গে ভিকি ঘোষ নামে এক কার্যকর্তার। ভিকি ঘোষ বর্তমানে জিবি হাসপাতালে ভর্তি। ঘটনার বিবরণে জানা যায়, আহত ভিকি ঘোষ জানান, তার বাড়ির নিকট বোনজামাই জমি ক্রয় করতে চায়।

 তারপর বিকাশ ঘোষ, তপন ঘোষ এবং সুধাংশু দেবনাথ সহ তার দুই ছেলে বড় অংকের টাকা দাবি করে। কিন্তু টাকা দিতে অনিহা প্রকাশ করা ঝামেলা শুরু হয়। তারপর ভিকি এবং তার বোন জামাই বলেন, এলাকার কোন ব্যক্তির স্বার্থে তারা টাকা দিতে পারবেন না। তারা এলাকার ক্লাবের সঙ্গে কথা বলে স্থানীয় একটি মন্দিরে পূজার জন্য টাকা তুলে দেবে। কিন্তু বিষয়টি মানতে নারাজ বর্তমান বুথ সভাপতি, প্রাক্তন বুথ সভাপতি সহ অন্যান্যরা। এরই মধ্যে রবিবার বাড়ির সামনে ভিকি যখন হাটাহাটি করছিল তখন তার উপর অতর্কিত হামলা করে রাষ্ট্রবাদী দুর্বৃত্তরা বলে অভিযোগ। ঘটনায় গুরুতর আহত হয় ভিকি। সঙ্গে সঙ্গে তাকে উদ্ধার করে জিবি হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়।

বর্তমানে জিবি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ভিকি।এখন দেখার বিষয় ঘটনা কোন দিকে মোড় নেয়। শাসক দলের মন্ডল নেতা, বুথ সভাপতি সহ অন্যান্যরা বিরুদ্ধে এই ধরনের অভিযোগ অহরহ উঠছে। অথচ নিয়ন্ত্রণ নেই দলের শীর্ষ নেতৃত্বের। সরকার এবং বিজেপির নাম বিসর্জন দিয়ে প্রতিদিন প্রত্যেক এলাকায় চলছে এ ধরনের জমির দালালি থেকে শুরু করে তোল্লাবাজি। গত কয়েক মাসে রাজধানীর প্রতাপগড় বিধানসভা কেন্দ্র, বড়জলা বিধানসভা কেন্দ্রের মধ্যেও এই ধরনের জমির দালালির ঘটনার সামনে এসেছে। মহিলা আক্রান্ত, বিচারপতির পিজি আক্রান্তের মতো ঘটনার অভিযোগ উঠেছে রাষ্ট্রবাদীদের বিরুদ্ধে। অনেকের অভিমত উপর মহলের আশীর্বাদ ছাড়া এই ধরনের কার্যকলাপে জড়িত হতে পারে না মন্ডল এবং বুথ স্তরের নেতারা।এদিকে  পাল্টা অভিযোগ তুলেছে এলাকাবাসী ভিকির বিরুদ্ধে। ভিকি এলাকায় বিভিন্ন নেশা সামগ্রী বিক্রি করছে। দীর্ঘদিন ধরে সে নিজেও নেশাগ্রস্ত থাকে, আবার নেশা সামগ্রী বিক্রি করছে। রবিবার রাতে এই বিষয় নিয়ে এলাকাবাসীর সঙ্গে তার ঝামেলা সৃষ্টি হয়। তারপর দুই পক্ষের হাতাহাতিতে সে আহত হয়। প্রশ্ন উঠছে, এলাকাবাসী কেন হাতে আইন তুলে নেবে? পুলিশের হাতে তুলে দিতে পারত। যাইহোক গোটা ঘটনা সাজানো কিনা সেটাই এখন তদন্ত সাপেক্ষ।

সম্পরকিত প্রবন্ধ

সবচেয়ে জনপ্রিয়

সাম্প্রতিক মন্তব্য