স্যন্দন ডিজিটাল ডেস্ক, আগরতলা। ৩১ জানুয়ারি : গোলাঘাটি বিধানসভার অন্তর্গত কাঞ্চনমালা লক্ষীছড়া রামকৃষ্ণ উচ্চতর মাধ্যমিক বিদ্যালয় সংলগ্ন দুই গৃহস্থের বাড়ি থেকে একই রাতে তিন তিনটি গরু চুরি হয়ে যায়। জানা গেছে, এলাকার অনন্ত রায় এবং তপু বিশ্বাস দীর্ঘদিন ধরে গরু প্রতি পালন করে আসছেন। অন্যান্য দিনের মতো তারা শুক্রবার সন্ধ্যায় তাদের গরুগুলিকে ঘরে রেখে দরজা বন্ধ করে ঘুমাতে যান। শনিবার সকালে ঘুম থেকে উঠে গরু বের করতে গেলেই দেখতে পায় গরুগুলি নেই।
এ বিষয়ে ক্ষতিগ্রস্ত বৃহত্তর অনন্ত রায় জানান, দুজনের বাড়ি থেকে মোট চারটি গরু চুরি করেছিল চোরেরা। এরমধ্যে একটি বাছুর। সেটা মাঝ রাস্তায় নিয়ে যাওয়ার পর ছোটাছুটি করে বাড়ি চলে আসে। তারপর বাকি তিনটি গাভী দিয়ে যেতে সক্ষম হয় চোরেরা। ঘটনাস্থল থেকে ঢিল ছোড়া দূরত্বে রয়েছে আমতলী থানার ক্যাম্প। ক্যাম্পের মধ্যে মাত্র দুজন কর্মী দিয়ে দায়িত্ব থেকে খালাস হচ্ছে আমতলী থানার পুলিশ। যার কারণে বিগত বছর চার থেকে পাঁচটি গরু চুরি হয়েছিল। ব্যতিক্রম হচ্ছে না এবছর। চোরেরা আবারও থাবা বসাতে শুরু করেছে এলাকায়। সবচেয়ে উদ্বেগ জনক বিষয় হলো মহেশখলা, কলকলিয়া দিয়ে গরুগুলি পাচার করা হচ্ছে। অথচ অদৃশ্য কারণে আমতলী থানার পুলিশ চুপ। পেছনে কোন যোগসূত্র রয়েছে কেনা সেটা নিয়ে অনেকের সন্দেহ রয়েছে। না হলে এভাবে গরু চুরি হয়ে যাচ্ছে থানার নাকের ডগা দিয়ে কিন্তু পুলিশ কাউকে আটক করছে না কেন?
অপরদিকে ক্যাম্পের সুমন দেববর্মা নামে এক কর্মী জানান ১০ থেকে ১২ জন কর্মীর প্রয়োজন ক্যাম্পের মধ্যে। অথচ দুজন কর্মী দিয়ে দায়িত্ব পালন করানো চেষ্টা করা হচ্ছে। তবে স্থানীয়দের পক্ষ থেকে দাবি উঠেছে ক্যাম্পের মধ্যে ১০ থেকে ১৫ জন পুলিশ কর্মী দেওয়ার জন্য। না হলে এলাকার নিরাপত্তা কোনভাবে নিশ্চিত হচ্ছে না। নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছে মানুষ। আগামী দিন কোন ধরনের বড়সড় ঘটনা ঘটলে এর দায় কে নেবে প্রশ্নবোধক চিহ্ন দাঁড় করানো আমতলী থানার দিকে।

