স্যন্দন ডিজিটাল ডেস্ক, আগরতলা। ১৩ জানুয়ারি : মহারানী তুলসীবতি ওয়েলফেয়ার ট্রাস্টের উদ্যোগে মকর সংক্রান্তি অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয় মঙ্গলবার। আগরতলা প্লেস ক্লাবে অনুষ্ঠিত হয় এই অনুষ্ঠানে। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন তেলেঙ্গানার রাজ্যপাল যীষ্ণু দেববর্মা, মন্ত্রী টিঙ্কু রায়, পশ্চিম ত্রিপুরা জেলা শাসক ডঃ বিশাল কুমার সহ অন্যান্যরা। এইদিনের অনুষ্ঠানে আলোচনা করতে গিয়ে প্রাক্তন উপমুখ্যমন্ত্রী তথা তেলেঙ্গানা রাজ্যপাল যীষ্ণু দেববর্মা বলেন আদান প্রদানের মধ্যদিয়ে সংস্কৃতির প্রসার ঘটে। একটা সময় আগরতলা শহরে জনজাতির সংখ্যা খুবই কম ছিল। বর্তমানে দেশের বিভিন্ন রাজ্যে হাজার হাজার জনজাতি বসবাস করছে।
তিনি আরো বলেন, আত্মনির্ভরতার মধ্য দিয়ে আত্মসম্মান আসে। রাজ্যের প্রাক্তন উপমুখ্যমন্ত্রী তথা তেলেঙ্গানা রাজ্যপাল যীষ্ণু দেববর্মা আরো বলেন আগে জানতে হবে সমাজের শক্তি এবং সমাজের আত্মাই হল সমাজের সংস্কৃতি। আর এই সংস্কৃতি সমাজের মধ্যে থানসা নিয়ে আসে। বিশেষ করে জনজাতির সমাজের মধ্যে থানসা আনে এই সংস্কৃতি। রাজ্যপাল আরো বলেন, সংস্কৃতির কখনো মৃত্যু হয় না। এক সময় ত্রিপুরায় রিশার কোনো পরিচয় ছিল না। জনজাতিদের নাচের কোন নাম ছিল না। এখন এগুলি জাতীয় স্তরে স্থান পাচ্ছে। বাঙালি এবং জনজাতি কারোর একা সংস্কৃতি নয়। সংস্কৃতি সবার, এর একটাই পরিচয় ভারতীয় সংস্কৃতি। এমনটাই জানান রাজ্যপাল। ত্রিপুরার সংস্কৃতি পুনজ্জীবিত হচ্ছে। বিভিন্ন অনুষ্ঠানে রাজ্যের মন্ত্রীরা যাচ্ছেন। মহারাজা বীর বিক্রম কিশোর মানিক্যের জন্ম জয়ন্তীতে ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে, গড়িয়া পূজায় ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে। জনজাতিদের ঐতিহ্য রিশা প্রকৃত সম্মান পেয়েছে। সুতরাং সরকার এবং সমাজ একসাথে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে কাজ করছে। আর যখন সমাজ এবং সরকার একসাথে মিলিয়ে কাজ করে তখন ভালো ফল পাওয়া যায়।

