স্যন্দন ডিজিটাল ডেস্ক, আগরতলা। ৩ জানুয়ারি : স্বামী পরিত্যক্ত গৃহবধূর বিরুদ্ধে সন্তান তুলে দেওয়ার অভিযোগ ঘিরে চাঞ্চল্য ধর্মনগর মহকুমা বাগবাসা বিধানসভার অন্তর্গত বাগবাসা গ্রাম পঞ্চায়েতের ১ নং ওয়ার্ডের অন্তর্গত বড়ইতল এলাকায়। গৃহবধূর নাম মাধবী চৌধুরী। গত সাত থেকে আট দিন আগে তার এক শিশু সন্তান জন্ম হয়। শিশু সন্তান জন্মের পর তিনি বিক্রি করে ফেলেন।
গত ৩১ ডিসেম্বর ত্রিপুরা শিশু সুরক্ষা কমিশনের কাছে খবর আসে একজন মহিলা সদ্য জন্ম নেওয়া শিশু সন্তানকে বিক্রি করে ফেলেছে। যথারীতি এলাকাবাসীর সহযোগিতা নিয়ে মহিলার বাড়িতে গিয়ে প্রথম অবস্থায় জিজ্ঞাসা করে শিশু সুরক্ষা কমিশনের প্রতিনিধি দল সেই মহিলাকে। কিন্তু কোনভাবেই ঘটনার স্বীকার করতে চাননি তিনি। এমনকি তিনি দাবী করেন সম্প্রতি তার কোন সন্তান জন্ম হয়নি। পরবর্তী সময়ে এলাকাবাসীর চাপে পড়ে মহিলা স্বীকার করেন তার এক নিকটবর্তী আত্মীয়র কাছে সন্তানকে দিয়েছেন। তারপর সেই আত্মীয় টিনা দেবীর কাছে ফোন করার পর জানতে পারে তার কাছেও নেই মাধবী দেবীর সন্তান। তারপর জোর জিজ্ঞাসা বাদে পর জানতে পারেন শিশুটি লাল ছড়া এলাকায় রয়েছে। যথারীতি শিশু সুরক্ষা টিম লাল ছড়ায় গিয়ে দিলীপ নাথ এবং তার সহধর্মিনী চম্পা নাথের কাছ থেকে শিশু সন্তানকে উদ্ধার করে নিয়ে আসে মাধবী দেবীর কাছে। তখন মাধবী দেবী জানান সন্তানকে তিনি রাখতে চান। তখন প্রশাসনিক নিয়ম মেনে শিশু সুরক্ষা কমিশনের প্রতিনিধিদল মাধবী দেবীর কাছ থেকে সন্তান প্রতিপালন করার সম্মতি চায়। মাধবী দেবী সম্মতি দিলে তার হাতে তুলে দেওয়া হয় শিশু থেকে। শনিবার এ বিষয়ে বিস্তারিত জানিয়েছেন শিশু সুরক্ষা কমিশনের উত্তর ত্রিপুরা জেলার সুপারভাইজার পৃথ্বীরাজ চন্দন।

