স্যন্দন ডিজিটাল ডেস্ক, আগরতলা। ২৪ নভেম্বর :গণতান্ত্রিক দেশের আইন মানুষকে সুরক্ষা দেওয়ার কথা বলে, কিন্তু পরকীয়া অপরাধ না হওয়ায় প্রতিদিন ভেঙে যাচ্ছে অগণিত সংসার। সবচেয়ে বেশি আঘাত লাগছে সেই ছোট ছোট শিশুদের মনে—যারা হঠাৎ করেই একদিন বুঝতে পারে, তাদের মা বা বাবা বেঁচে থাকার সত্বেও আর ফিরে আসবে না।
রবিবার রাতে আমতলী থানায় এমনই এক হৃদয় বিদারক ঘটনা দেখা গেল। মহেশখলার রাজিব সরকার কোলে দেড় বছরের মেয়েকে নিয়ে থানার মেঝেতে বসে শুধু একটি কথাই বলছিলেন “আমার স্ত্রীকে ফিরিয়ে দিন… আমার মেয়েটার মা দরকার।” চার বছরের সংসার, কোলে ছোট্ট শিশু সবকিছু ফেলে সীমা দেবনাথ এক প্রেমিকের হাত ধরে ঘর ছেড়ে চলে গেছেন। শিশুটি সারাক্ষণ মায়ের খোঁজে কাঁদছে, ছোট্ট হাত দিয়ে বাবার জামা চেপে ধরে যেন বারবার বলছিল “মা কোথায়? মা আসবে তো? থানার পুলিশ অসহায়।
পরকীয়া আইনগত অপরাধ নয়, তাই পুলিশের হাতেও বিশেষ কিছু করার নেই। শিশুর কান্না শুনে উপস্থিত সবাই স্তব্ধ হয়ে গিয়েছিল। যেন পুরো থানা নীরব হয়ে দেখছিল একটি পরিবার কেমন করে মুহূর্তে ভেঙে যায়। মানুষের ক্ষোভ এখন একটাই যে আইন পরিবারকে রক্ষা করতে পারে না, সেই আইন বদলানো দরকার। বিবাহিত অবস্থায় পরকীয়ায় জড়িয়ে পালিয়ে গেলে কঠোর শাস্তির দাবি জোরালো হচ্ছে। নাহলে এই পরকীয়া নামক ভাইরাস প্রতিদিন আরও কত শিশুকে মায়ের স্নেহ থেকে বঞ্চিত করবে জানা নেই। অসহায় স্বামী জানান, তার শ্বশুরবাড়ির লোকেরা জানত তাদের মেয়ে কার সাথে পরকিয়ায় জড়িয়ে আছে। শ্বশুরবাড়ি রাণীর খামার এলাকায়।

