স্যন্দন ডিজিটাল ডেস্ক, আগরতলা। ৮ নভেম্বর :সুশাসন জমানায় গুন্ডারাজে আতঙ্ক ৭ রামনগর বিধানসভা কেন্দ্রের অন্তর্গত রাজধানীর বর্ডার গোল চক্কর বাজার। সন্ধ্যার পর নিস্তব্ধ হয়ে পড়ছে বাজার হাট। গৃহবন্দী হয়ে থাকছেন মানুষজন। আতঙ্কে কেউ মুখ খুলতে পারছে না। শনিবার পশ্চিম আগরতলা থানায় এসে নিরাপত্তা চাইল এলাকাবাসী।
কাজী রাজিব মিয়া নামে এক এলাকাবাসীর অভিযোগ দীর্ঘ দিন ধরে এলাকায় আতঙ্কে পরিবেশ তৈরি করে রেখেছে সমাজদ্রোহী অরজিৎ দাস ওরফে তীর্থ এবং কাজীব দাস সহ তাদের সাঙ্গোপাঙ্গরা। প্রতিদিন সন্ধ্যার পর থেকে তারা এলাকায় মানুষজনকে বাড়ি থেকে বের হতে দেয় না। দোকানে দোকানে গিয়ে চাঁদা সংগ্রহ চায়। চাঁদা না দিলে মানুষকে মারধর করে। অপরিচিত মানুষ বাজারে আসলে তাদের কাছ থেকে অর্থ আদায় করে। এগুলি নিয়ে যাতে কেউ মুখ খুলতে না পারে তার জন্য এলাকাবাসীকে বাজারে সন্ধ্যার পর আসতে দেয় না দুই দুর্বৃত্তের নেতৃত্বে থাকা গুন্ডারা। এরমধ্যে শুক্রবার রাতে এলাকার মানুষকে মারধর করেছে তারা। তারপর এলাকাবাসী প্রতিবাদে সামিল হয়।
পরবর্তী সময় বৈঠক করে এলাকাবাসী সিদ্ধান্ত নেয় বিষয়টি নিয়ে আইনের দ্বারস্থ হবে। এর জন্য শনিবার সকালে তীর্থ নামে দুর্বৃত্ত স্থানীয় এক যুবককে দোকান না খোলার জন্য পিস্তল দেখিয়ে হুমকি দেয় বলে অভিযোগ। যদি দোকান খোলার সাহস করে তাহলে গুলি করে মেরে ফেলবে বলে হুমকি দেয়। সুশাসন জামানায় এমন দুঃশাসন তৈরি হয়ে আছে আগরতলা পৌর নিগমের মেয়র তথা বিধায়ক দীপক মজুমদারের বিধানসভা কেন্দ্রে। মানুষ আতঙ্কে ঘর থেকে বের হতে পারছে না। অভিযুক্তদের মাথার উপর রাষ্ট্রবাদীদের আশীর্বাদ রয়েছে বলে এলাকা সূত্রে খবর। এখন দেখার বিষয় এলাকার সুষ্ঠু পরিবেশ ফিরিয়ে আনতে পারে কিনা প্রশাসন। নাকি এলাকাটি সমাজদ্রোহীদের হাতে ছেড়ে দেয়। তবে প্রশাসন যদি মুখ বুজে সব কিছু সহ্য করে তাহলে যেকোনো সময় অঘটন ঘটালো সম্ভাবনা থাকবে। কারণ প্রতিদিন সন্ধ্যার পর এলাকার মানুষ বাজারে এসে ব্যবসা-বাণিজ্য কিছুই করতে পারছে না। নিস্তব্ধ হয়ে পড়ছে বাজার হাট। গুন্ডারাজ তৈরি করেছে দুই গুন্ডা এবং তাদের সাঙ্গোপাঙ্গরা।

