Wednesday, February 4, 2026
বাড়িরাজ্যশান্তিপূর্ণ আন্দোলনের নামে এক ব্যক্তির নেতৃত্বে সশস্ত্র আন্দোলন করেছে সিভিল সোসাইটি, আসল...

শান্তিপূর্ণ আন্দোলনের নামে এক ব্যক্তির নেতৃত্বে সশস্ত্র আন্দোলন করেছে সিভিল সোসাইটি, আসল রূপ সবার কাছে পরিষ্কার : মুখ্যমন্ত্রী

স্যন্দন ডিজিটাল ডেস্ক, আগরতলা। ২৪ অক্টোবর :  শুক্রবার খোয়াই জেলার মুঙ্গিয়াকামি এলাকায় ভারতীয় জনতা পার্টির কৃষ্ণপুর মন্ডলের উদ্যোগে এক যোগদান সভা অনুষ্ঠিত হয়। যোগদান সভায় উপস্থিত ছিলেন মুখ্যমন্ত্রী প্রফেসর ডাঃ মানিক সাহা। যোগদান সভায় মুখ্যমন্ত্রীর হাত ধরে পরিমল দেববর্মা ও সঞ্জীব দেববর্মা সহ প্রায় ৬,৪০০ জন ভোটার ভারতীয় জনতা পার্টিতে যোগদান করেছেন। সঠিক সময়ে আপনারা সঠিক সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।

ভারতীয় জনতা পার্টি ছাড়া এডিসি, রাজ্য বা দেশ সঠিক দিশায় এগিয়ে যাবে না। যারা আজ এখানে যোগদান করতে এসেছেন আমি ভারতীয় জনতা পার্টির পক্ষ থেকে তাদের সকলকে স্বাগত জানাই। কিছুদিন আগে টাকারজলায় এধরণের একটা যোগদান সভা হচ্ছিল। আর সেই যোগদান সভা যাতে সম্ভব না হয়, সেজন্য এই মথার মুখোশধারী কিছু দুর্বৃত্ত জনসভায় যোগ দিতে আসা বিজেপি লোকজনের উপর হামলা চালায়। আবার সিভিল সোসাইটি নাম দিয়ে এমন একজন ব্যক্তির নেতৃত্বে আন্দোলন সংঘটিত করা হয়েছে। এটা কোন ধরণের আন্দোলন? বিডিও, ইঞ্জিনিয়ার, এসডিপিও সহ সবাইকে যেভাবে দা, লাঠি, রড দিয়ে আক্রমণ করেছে, আর এটাকে বলছে শান্তিপূর্ণ আন্দোলন!

এটা কোন ধরণের আন্দোলন করছে তারা? আমি তাদের নেতাদের প্রশ্ন করতে চাই। কিন্তু যখনই দেখে অবস্থা খারাপ, তখনই অশান্তির বাতাবরণ তৈরি করে তারা। আবার কিছুদিন পর বলবে যে আমরা শান্তি চাই, শান্তি চাই। কিন্তু তাদের আসল রূপ এখন আমরা দেখতে পাচ্ছি। মুখ্যমন্ত্রী বলেন, আজ মুঙ্গিয়াকামিতে যোগদান সভাকে ঘিরে ঘরে ঘরে গিয়ে ভয়ভীতি প্রদর্শন করার চেষ্টা হয়েছে। বলা হয়েছে ভারতীয় জনতা পার্টির মতো জাতীয় দলকে এডিসি এলাকায় ঢুকতে দেওয়া হবে না। কিন্তু ভারতীয় জনতা পার্টি দেশের যেকোন জায়গায় যেতে পারে। কেউ তাদের রুখতে পারবে না। আমি তাদের হুশিয়ার করে দিচ্ছি যে এধরণের চালাকি দিয়ে সাময়িক কাজ হবে। কিন্তু বেশিদিন চলবে না। সভায় বক্তব্য রাখতে গিয়ে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, ভারতীয় জনতা পার্টির অন্যতম লক্ষ্য হচ্ছে জনজাতি অংশের মানুষের সার্বিক উন্নয়ন। গত এডিসি নির্বাচনের সময় ভারতীয় জনতা পার্টির সভাপতি হিসেবে আমি বিভিন্ন জায়গায় গিয়েছি। সেখানে ভারতীয় জনতা পার্টির কার্যালয় তছনছ করে রেখে দেওয়া হয়েছিল। এমনকি মহারাজা বীর বিক্রম কিশোর মানিক্য বাহাদুরের ছবিও মাটিতে ফেলে রাখা হয়েছিল।

 সেই ছবি তুলে আমরা যথাস্থানে রেখে দিয়েছি। আর তারা বলছে যে আমরা রাজ পরিবারের ব্যক্তিদের সম্মান করি না! কিন্তু আমরা ৩৫ বছরের রাজত্ব ও কংগ্রেসের ৫ বছরের রাজত্ব দেখেছি। তারা কোনদিন মহারাজাদের সম্মান দেয়নি। ভারতীয় জনতা পার্টি আসার পর মহারাজ বীর বিক্রমের নামে এয়ারপোর্টের নামকরণ করা হয়েছে। এয়ারপোর্টে মহারাজার পূর্ণবয়ব মূর্তি স্থাপন করা হয়েছে। কামান চৌমুহনি সংলগ্ন আইল্যান্ডে মহারাজার মূর্তি প্রতিষ্ঠিত করা হয়েছে। মহারাজা বীর বিক্রমকে সম্মান জানানোর জন্য তাঁর জন্মদিন ১৯ আগস্ট দিনটিকে সরকারি ছুটি হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে। যোগদান সভায় উপস্থিত ছিলেন ভারতীয় জনতা পার্টির প্রদেশ সভাপতি তথা সাংসদ রাজীব ভট্টাচার্য, জনজাতি কল্যাণ মন্ত্রী বিকাশ দেববর্মা, ভারতীয় জনতা পার্টির প্রদেশ সাধারণ সম্পাদক বিপিন দেববর্মা, প্রাক্তন সাংসদ রেবতী ত্রিপুরা, জেলা সভাপতি বিনয় দেববর্মা, এডিসি সদস্য বিদ্যুৎ দেববর্মা সহ দলের অন্যান্য নেতৃত্ব ও কার্যকর্তাগন।

সম্পরকিত প্রবন্ধ

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে
Captcha verification failed!
CAPTCHA user score failed. Please contact us!

সবচেয়ে জনপ্রিয়

সাম্প্রতিক মন্তব্য