স্যন্দন ডিজিটাল ডেস্ক, আগরতলা। ২৪ অক্টোবর : বৃহস্পতিবার বনধ ঘিরে অশান্ত হয়ে উঠে কমলপুর স্থিত শান্তির বাজার এলাকা। এদিন আন্দোলন থেকে সন্ত্রাসীরা শান্তির বাজার এলাকার বেশ কিছু দোকানপাটে গিয়ে ভাঙচুর চালায়। স্থানীয় ব্যবসায়ীরা পাল্টা প্রতিরোধ গড়ে তুললে এই সন্ত্রাসীরা অগ্নিসংযোগ করে গাড়িতে। এতে আহত হয় ১০ থেকে ১২ জন। এর মধ্যে রয়েছে সালেমা ব্লকের বিডিও অভিজিৎ মজুমদার, মহকুমা পুলিশ আধিকারিক সমুদ্র দেববর্মা এবং ইঞ্জিনিয়ার অনিমেষ সাহা। রাতের বেলা আহত তিনজনকে জিবি হাসপাতালে রেফার করা হয় ধলাই জেলা হাসপাতাল থেকে। বর্তমানে আহতদের চিকিৎসা চলছে জিবি হাসপাতালে।
শুক্রবার জিবি হাসপাতালে আহতদের শারীরিক অবস্থার খোঁজখবর নিতে গেলেন মুখ্যমন্ত্রী ডাক্তার মানিক সাহা। আহতদের শারীরিক অবস্থার খোঁজখবর নিয়ে চিকিৎসকদের সঙ্গেও কথা বলেছেন মুখ্যমন্ত্রী। তারপর মুখ্যমন্ত্রী সংবাদ মাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে বলেন, শান্তির বাজারে যে ঘটনা সংঘটিত হয়েছে সেটা অবর্ণনীয়। এটা আন্দোলনে নামে একটা কলঙ্ক। কারণ তারা মানুষকে মারধর করার পাশাপাশি মানুষের স্বর্ণের চেইন ছিনতাই করেছে। সুতরাং যে ঘটনাটি শান্তির বাজারে ঘটেছে সেটা নিঃসন্দেহে প্রাণঘাতী হামলা। এটা কেমন রাজনীতি এবং এ ধরনের রাজনীতির অর্থ কি দাঁড়ায় সেটা নিয়ে প্রশ্ন তুললেন মুখ্যমন্ত্রী। যারা এই ঘটনা সংঘটিত করেছে তাদের রাজ্যবাসী মেনে নেবে না।
আগামী দিন তাদের খুঁজেও পাওয়া যাবে না। তাদের বিরুদ্ধে অবশ্যই শাস্তি মূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। কারণ এভাবে চলতে দেওয়া যায় না বলে জানান মুখ্যমন্ত্রী। সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের উত্তর দিতে গিয়ে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, পরবর্তী কি হবে সেটা দেখুন। এদিন মুখ্যমন্ত্রীকে কাছে পেয়ে আহত প্রশাসনিক আধিকারিক থেকে শুরু করে সাধারণ মানুষ সকলেই সন্ত্রাসবাদীদের বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপ গ্রহণ করার জন্য দাবি করেন। এখন দেখার বিষয় মুখ্যমন্ত্রী কি ব্যবস্থা গ্রহণ করেন। কারণ স্বরাষ্ট্র দপ্তর মুখ্যমন্ত্রীর কাছেই। তিনি চাইলে দুষ্কৃতিকারীদের পার পাওয়া কঠিন হবে।

