স্যন্দন ডিজিটাল ডেস্ক, আগরতলা। ২৩ আগস্ট : ত্রিপুরা পুলিশে কনস্টেবল নিয়োগ প্রক্রিয়ায় ব্যাপক দুর্নীতির অভিযোগ তুলে সরব হলেন রামচন্দ্রঘাট বিধানসভা কেন্দ্রের বিধায়ক রঞ্জিত দেববর্মা। জাল তপশিলি উপজাতি সার্টিফিকেট ব্যবহার করে এক সাধারণ প্রার্থীকে নিয়ম বহির্ভূতভাবে চাকরি পাইয়ে দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ করে মুখ্যমন্ত্রী অধ্যাপক ডাঃ মানিক সাহাকে চিঠি দিয়েছেন। এই চিঠি তাঁর সোশ্যাল মিডিয়া পোস্ট প্রকাশ্যে আসতেই রাজ্য রাজনীতিতে তীব্র চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে।
বিধায়ক রঞ্জিত দেববর্মা তাঁর চিঠিতে অনামিকা দেববর্মা নামে এক মহিলা কনস্টেবলের নিয়োগ নিয়ে নির্দিষ্ট অভিযোগ তুলেছেন। তিনি দাবি করেন, অনামিকার বাবা অসংরক্ষিত শ্রেণীর অন্তর্গত হওয়া সত্ত্বেও, শুধুমাত্র মা তপশিলি উপজাতিভুক্ত হওয়ায় তাঁকে বেআইনিভাবে সার্টিফিকেট প্রদান করা হয়েছে। বিধায়কের অভিযোগ, এই দুর্নীতির সঙ্গে সংশ্লিষ্ট মহকুমা শাসক, নিয়োগ বোর্ডের চেয়ারম্যান এবং অন্যান্য আধিকারিকরা সরাসরি জড়িত। চিঠিতে বিধায়ক একাধিক কড়া পদক্ষেপ নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন। তাঁর প্রধান দাবিগুলো হলো, অনামিকা দেববর্মা এবং এই ঘটনায় জড়িত সমস্ত আধিকারিকদের বিরুদ্ধে ফৌজদারি মামলা দায়ের করা।
ত্রুটিপূর্ণ মেধা তালিকা বাতিল করে যোগ্য প্রার্থীদের নিয়োগের মাধ্যমে স্বচ্ছতা বজায় রাখা। যে সমস্ত তপশিলি উপজাতিভুক্ত মহিলারা অ-উপজাতি সম্প্রদায়ের পুরুষদের বিয়ে করেছেন, তাদের সুযোগ-সুবিধা বাতিলের বিষয়টিও তিনি চিঠিতে উল্লেখ করেছেন। নিজের সোশ্যাল মিডিয়ায় চিঠির প্রতিলিপি প্রকাশ করে রঞ্জিত দেববর্মা লেখেন, “সাধারণ প্রার্থীকে ST সার্টিফিকেট দিয়ে সরকারি চাকরি পাইয়ে দেওয়ার বিষয়ে মুখ্যমন্ত্রীকে চিঠি দিয়েছি। পড়ুন, শেয়ার করুন এবং মন্তব্য করুন। এই অভিযোগ রাজ্যের নিয়োগ প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা নিয়ে বড়সড় প্রশ্ন তুলে দিয়েছেন। শরিক দলের বিধায়কের এই বিস্ফোরক চিঠির পর সরকারের পক্ষ থেকে কী পদক্ষেপ নেওয়া হয়, সেদিকেই তাকিয়ে রয়েছে রাজনৈতিক মহল।

