Monday, December 5, 2022
বাড়িখেলাটপলির চোটের জন্য বাউন্ডারি লাইনের স্পঞ্জকে দুষলেন স্টোকস

টপলির চোটের জন্য বাউন্ডারি লাইনের স্পঞ্জকে দুষলেন স্টোকস

স্যন্দন ডিজিটাল ডেস্ক, আগরতলা,২২ অক্টোবর: এড়ানো যেত এমন একটি দুর্ঘটনার জন্য রিস টপলির বিশ্বকাপ শেষ হয়ে যাওয়াটা মানতেই পারছেন না বেন স্টোকস। তাই বাউন্ডারি মার্কার হিসেবে ব্যবহৃত ত্রিকোণ স্পঞ্জ নিয়ে ভাবতে বললেন এই ইংলিশ অলরাউন্ডার। পাকিস্তানের বিপক্ষে বিশ্বকাপের প্রস্তুতি ম্যাচকে সামনে রেখে অনুশীলনের সময় পায়ে চোট পান টপলি। বাউন্ডারি মার্কারের একটি স্পঞ্জের ওপর পা পড়ে তার। আর এতেই হয় বিপত্তি। জখম হয় বাঁ পায়ের গোড়ালির লিগামেন্টে। চলতি বছর দেশের হয়ে সর্বোচ্চ ১৭ উইকেট নেওয়া টপলির টুর্নামেন্ট শেষ হয়ে যায় শুরুর আগেই। এরপর আলোচনায় আসে সীমানায় থাকা ত্রিকোণ আকারের স্পঞ্জ। যেগুলো ব্যবহার করা হয় মূলত বিজ্ঞাপনের জন্য। স্টোকসের মতে, ক্রিকেটারদের নিরাপত্তার জন্য এগুলো বাদ দেওয়া উচিত। “এটা… (বাউন্ডারি লাইনের স্পঞ্জ) খুবই বিরক্তিকর। দুর্ভাগ্যবশত, এটা আমাদের একজন ক্রিকেটারকে ছিটকে দিয়েছে…লোকের নজরে আসার জন্য ব্যবহার করা হয়। আমি নিশ্চিত, এটার দিকে কর্তৃপক্ষ দৃষ্টি দিতে পারে। কিন্তু এটা এমন যে-সবাই কোনো না কোনো জায়গায় নিজেদের নাম জুড়তে চায়।” “খেলোয়াড়দের নিরাপত্তার কথাও চিন্তা করতে হবে। বিষয়টি হলো, সে (টপলি) ওটার ওপর দাঁড়ায় এবং তাতে তার লিগামেন্টে চোট লাগে। আর এখন সে বিশ্বকাপের বাইরে! এদিকে নজর দেওয়া উচিত। আমি তার জন্য চরম হতাশ। আমরা সবাই হতাশ, কারণ সে খেলতে পারবে না…একাদশে শুরুর দিকের একজন ছিল সে।” ইংল্যান্ড অধিনায়ক জস বাটলার অবশ্য এটাকে কোনো সমস্যা মনে করছেন না। এই কিপার-ব্যাটসম্যানের চোখে, টপলি দুর্ঘটনার শিকার। “আগে কোনো বাউন্ডারি দড়ি ছাড়াই খেলা হতো এবং খেলোয়াড়রা প্রায়ই দৌড়ে বেষ্টনীতে চলে যেত।” আফগানিস্তানের বিপক্ষে সুপার টুয়েলভের ম্যাচ দিয়ে শনিবার বিশ্বকাপ অভিযান শুরু করবে ২০১০ আসরের চ্যাম্পিয়ন ইংল্যান্ড। সীমানায় ব্যবহার করা এসব স্পঞ্জে হোঁচট খেতেও দেখা যায় ক্রিকেটারদের। কদিন আগে প্রাথমিক পর্বের ম্যাচে নেদারল্যান্ডসের বিপক্ষে আউট হয়ে ফেরার সময় বাউন্ডারি লাইনে হোঁচট খেয়ে পড়েই গিয়েছিলেন সংযুক্ত আরব আমিরাতের আয়ান খান।

সম্পরকিত প্রবন্ধ

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে

সবচেয়ে জনপ্রিয়

সাম্প্রতিক মন্তব্য