Tuesday, June 28, 2022
বাড়িবিশ্ব সংবাদচীনের জন্য তৈরি করা ২০ হাজার বোতল রাম কিনে নিলো তাইওয়ান

চীনের জন্য তৈরি করা ২০ হাজার বোতল রাম কিনে নিলো তাইওয়ান

স্যন্দন ডিজিটাল ডেস্ক। আগরতলা। ৬ জানুয়ারি। চীনে যাওয়ার কথা থাকা লিথুনিয়ান রামের ২০ হাজার বোতলের একটি চালান কিনে নিয়েছে তাইওয়ান, তারপর রাম কীভাবে পান ও রান্নায় ব্যবহার করতে হয় তা জনসাধারণকে ‍শেখানো শুরু করেছে।

সরকারিভাবে পরিচালিত গণমাধ্যম জানিয়েছে, রামের চালানটি চীনে প্রবেশে বাধা দেওয়া হতে পারে জানার পর তাইওয়ান টোব্যাকো অ্যান্ড লিকার কর্পোরেশন (টিটিএল) সেটি কিনে নেয়।সম্প্রতি লিথুয়ানিয়া তাইওয়ানকে একটি দূতাবাস খোলার অনুমতি দিয়েছে, এটি দুই পক্ষের মধ্যে ঘনিষ্ঠতা বাড়ার ইঙ্গিত বলে জানিয়েছে বিবিসি।এর কয়েকদিনের মধ্যেই লিথুয়ানিয়ার সঙ্গে কূটনৈতিক সম্পর্ক হ্রাস করে চীন।

লিথুনিয়ায় খোলা ওই দূতাবাসটি ‘চীনা তাইপের’ বদলে তাইওয়ান নামটি ব্যবহার করছে। কিন্তু চীনকে অসন্তুষ্ট না করতে অনেক দেশই ‘চীনা তাইপে’ নামটি ব্যবহার করে।   টিটিএল বলছে, তাইওয়ানের অর্থমন্ত্রী এবং ‘লিথুয়ানিয়ার তাইওয়ানের প্রতিনিধি অফিসের’ প্রধান এরিক হুয়াং রামের একটি চালান চীনের কাস্টমে আটকে যাওয়ার সম্ভাবনা তাদেরকে অবহিত করেন।এর আগে চীনে বিয়ারের একটি চালান জব্দ করা হয়েছিল, তাই এ চালানটিও জব্দ হওয়ার সম্ভাবনা ছিল বলে জানিয়েছে টিটিএল।

পরবর্তীতে তাইওয়ানের ন্যাশনাল ডেভেলপমেন্ট কাউন্সিল ফেসবুকে একটি পোস্টে বলেছে যে রামের চালানটি “চীনা কাস্টমসের মধ্য দিয়ে যেতে পারেনি”।তাছাড়া সংস্থাটি জানুয়ারির শেষের দিকে চালানটি বিক্রি শুরু হবে জানিয়ে স্থানীয়দের রাম কেনার জন্যও আহ্বান জানায়। তারা ডার্ক ‘এন’ স্টর্মি ককটেল এবং রামের ফ্রেঞ্চ টোস্ট, স্টেক এবং হট চকলেটের কিছু রেসিপি শেয়ার করে।ন্যাশনাল ডেভেলপমেন্ট কাউন্সিল লিথুয়ানিয়ার সঙ্গে তাইওয়ানের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্কের কথাও উল্লেখ করে। লিথুয়ানিয়া এবং তাইওয়ান একে অপরের সঙ্গে সহযোগিতার একটি স্মারক চুক্তি স্বাক্ষর করাসহ দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য প্রতিনিধিদের সম্মেলনের আয়োজন করেছিল।

তবে লিথুয়ানিয়ার উপর কোনো বাণিজ্য অবরোধ আরোপ করার বিষয়টি অস্বীকার করেছে চীন। কারণ এটি বিশ্বব্যাপী বাণিজ্য নিয়ম লঙ্ঘন করে। এদিকে ইউরোপীয় ইউনিয়ন বলেছে যে তারা তার সদস্য রাষ্ট্র লিথুয়ানিয়ার সঙ্গে চীনের কাস্টমসে পণ্য আঁটকে রাখার প্রতিবেদনগুলো যাচাই করে দেখবে।তাইওয়ান একটি স্বশাসিত গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র হলেও এটিকে নিজেদের ‘বিচ্ছিন্ন প্রদেশ’ হিসেবে বিবেচনা করে চীন। আন্তর্জাতিক মিত্রদের থেকে দ্বীপটিকে পৃথক করতে গত বছর চাপ বাড়িয়েছে বেইজিং।

সম্পরকিত প্রবন্ধ

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে

সবচেয়ে জনপ্রিয়

সাম্প্রতিক মন্তব্য