স্যন্দন ডিজিটেল ডেস্ক, ১৯ অক্টোবর : যুদ্ধবিরতি চুক্তিতে স্বাক্ষর করেছে ইজরায়েল ও হামাস। ‘গাজা শান্তি সম্মেলন’ ফলপ্রসূ হয়েছে বলেই মনে করা হচ্ছে। এরই মাঝে ফের তৈরি হচ্ছে গুরুতর উদ্বেগের পরিস্থিতি? শান্তি চুক্তির মাঝেই অশান্তির আশঙ্কা করছেন মার্কিন গোয়েন্দারা। তাঁদের দাবি, গাজায় ফের হামলার ছক কষছে হামাস। আক্রমণের লক্ষ্য সাধারণ প্যালেস্তিনীয় নাগরিকরা।
মার্কিন স্বরাষ্ট্র দপ্তরের জারি করা বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ‘প্যালেস্টাইনের সাধারণ নাগরিকদের বিরুদ্ধে এই পরিকল্পিত আক্রমণ যুদ্ধবিরতি চুক্তিকে সরাসরি লঙ্ঘন করবে। মধ্যস্থতার মাধ্যমে যুদ্ধ বন্ধের ক্ষেত্রে যে অগ্রগতি হয়েছে তাকে নষ্ট করবে।’ হামাসকে হুঁশিয়ারি দিয়ে বলা হয়েছে, ‘যদি হামাস এই আক্রমণ চালিয়ে যায়, তাহলে গাজার জনগণ এবং যুদ্ধবিরতি রক্ষার জন্য ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’ যদিও, এই বিবৃতিতে স্পষ্ট করে বলা হয়নি হামাস আক্রমণের উত্তরে কী ব্যবস্থা নেবে আমেরিকা।
ইতিমধ্যেই গাজার দখল নিতে প্রস্তুতি শুরু করেছে হামাস। ইতিমধ্যেই নাকি সাত হাজার সদস্যকে গাজা দখলের ডাকও দেওয়া হয়েছে বলে দাবি জঙ্গিদের। সোমবার তাদের তরফে একটি ভিডিও প্রকাশ্যে আসে। ভিডিওয় দেখা গিয়েছে, সাতজন প্যালেস্তিনীয় হাঁটু মুড়ে বসে রয়েছে। হাত মাথার পিছনে রাখা। তাঁদের ঘিরে রয়েছে সশস্ত্র হামাস জঙ্গিরা। এরপরই দেখা যায় গুলি করে মেরে ফেলা হচ্ছে ওই প্যালেস্তিনীয়দের। দেহগুলি একে একে গুলিবিদ্ধ হয়ে মাটিতে লুটিয়ে পড়ার পর হামাসকে উল্লাস করতেও দেখা গিয়েছে। মৃত প্যালেস্তিনীয়রা শান্তি চুক্তিতে ‘মধ্যস্থতাকারী’ হয়েছিলেন বলেই দাবি।
প্রসঙ্গত, সোমবার মিশরের শর্ম-আল-শেখ শহরের অনুষ্ঠিত হয় গাজা শান্তি সম্মেলন। সভাপতিত্ব করে আমরিকা এবং মিশর। উপস্থিত ছিলেন ইজরায়েল ও হামাসের প্রতিনিধিরা-সহ ২০ টির বেশি দেশের নেতারা। সম্মেলনে উভয়পক্ষের শান্তিচুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।

