স্যন্দন ডিজিটাল ডেস্ক, আগরতলা। ১২ আগস্ট : কমলপুর নগর পঞ্চায়েতের পক্ষ থেকে এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করে কলঙ্কিত অধ্যায় রচনা করলো মঙ্গলবার। অন্ধকারের মধ্যেই অনুষ্ঠান সম্পন্ন করার চেষ্টা। ঘটনার বিবরণে জানা যায়, স্বাধীনতা দিবসকে সামনে রেখে মঙ্গলবার কমলপুর টাউন হলে এক সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। কমলপুর নগর পঞ্চায়েতের পক্ষ থেকে এই অনুষ্ঠান হয়। একটার সময় শুরু হয় অনুষ্ঠান। প্রদীপ জ্বালিয়ে অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করেন প্রাক্তনমন্ত্রী বিধায়ক মনোজ কান্তি দেব, নগর পঞ্চায়েতের চেয়ারম্যান প্রশান্ত সিনহা, ভাইস চেয়ারম্যান সুব্রত মজুমদার, নগর পঞ্চায়েতের ডেপুটি কার্যনির্বাহী আধিকারিক ধনঞ্জয় চাকমা।
উদ্বোধনের পর উদ্বোধনী সংগীত পরিবেশনের পরই বিদ্যুৎ বিভ্রাট হয়। অত্যাধুনিক টাউন হলে নিজস্ব জেনারেটর, এসি, সবই আছে। কিন্তু এগুলি সব বিকল। যার কারণে অন্ধকার ঘরে ছাত্রছাত্রী ও অভিভাবকদের স্বাস নিতে কষ্ট হতে থাকে। এই অবস্থায় এক সময় এমন হয় যে ভেতরে কাটানো মুশকিল হয়ে পড়ে সকলের জন্য। ছাত্রছাত্রীরা বাইরে বের হয়ে আসে। বিধায়কও বের হয়ে আসেন। তারপর সকলের মুখে মুখে উঠতে শুরু করে নানা প্রশ্ন। প্রশ্ন কেন এমন অবস্থা হলো? টাউন হলের নিজস্ব জেনারেটর থাকা সত্ত্বেও তা অকেজো, এসি অকেজো, যে স্টেজ রয়েছে তার অবস্থাও করুণ হয়ে আছে কেন? রয়েছে একোয়া সিস্টেম। কিন্তু বাইরে থেকে জল আনা হয়। এদিকে টাউনহলের জায়গায় নগর পঞ্চায়েতের গাড়িগুলি ডাই করে রাখা। ভ্রাম্যমান ল্যাট্রিনগুলিও পড়ে নস্ট হচ্ছে। এর দায়িত্ব কার? নগর পঞ্চায়েতের চেয়ারম্যান বা নগর কর্তৃপক্ষ কোনোভাবে দায় এড়াতে পারেনা। কারণ টাউনহল মেরামতির দায়িত্ব কিন্তু কমলপুর নগর পঞ্চায়েতের। কারণ জনগণের পয়সায় গড়ে উঠা এই টাউন হল গড়ে তোলা হয়েছে। কিন্তু এর মধ্যে সবকিছু মুখ থুবড়ে পড়ে আছে। পকেট ভারি হচ্ছে জনপ্রতিনিধিদের। যার কারণে ভুক্তভোগী হলো ছাত্র-ছাত্রী থেকে শুরু করে অভিভাবক মহল।
সেই দায়িত্ব যে তারা সঠিকভাবে পালন করছে না, যা আজকের ঘটনায় প্রমান। এখন খবর প্রকাশের পর কমলপুর নগর পঞ্চায়েত কতটা সৎ চিন্তায় ফিরে সেটাই এখন দেখার বিষয়।

