স্যন্দন ডিজিটাল ডেস্ক, আগরতলা। ৯ আগস্ট : রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে ছড়িয়ে ছিটিয়ে রয়েছেন মানব পাচারকারী। সংশ্লিষ্ট থানা গুলোর কাছে সেই সমস্ত মানব পাচারকারীদের সম্পর্কে পূর্ণাঙ্গ বিবরণ থাকা সত্ত্বেও পুলিশ বাবুরা সেই সমস্ত মানব পাচারকারীদের বিরুদ্ধে কোনো রকম কার্যকরী পদক্ষেপ গ্রহণ করে না বলে অভিযোগ উঠেছিল বিভিন্ন সময়ে। পুলিশ নাকি মোটা অংকের অর্থের বিনিময়ে মানব পাচারকারীদের সঙ্গে রফা করে নেয়। এই সমস্ত মানব পাচারকারীদের জালে তুলতে ত্রিপুরার মাটিতে ছুটে আসতে হয়েছিল জাতীয় তদন্তকারী সংস্থার তথা এন আই এ -কেও। এবারে রোহিঙ্গা পাচারের আরো একটি চাঞ্চল্যকর তথ্য উঠে এলো প্রকাশ্যে।
ঘটনা কমলা সাগর বিধানসভা কেন্দ্রের কৈয়াঢেপা এলাকায়। রোহিঙ্গা পাচারে বাধা দেওয়ায় ঘরবাড়ি ছাড়া স্বামী ও স্ত্রী। কাজল শীল ও তার স্ত্রীর অভিযোগ রোহিঙ্গা পাচারে বাধা দেওয়ায় তাদেরকে প্রাণে মারার জন্য বাঁচার কারীরা বন্দুক দা লাঠি সহ বহিরাগত গুন্ডাদের ও নাকি নিয়ে আসে এই এলাকায়। যার কারনে আজ তারা তিন দিন ধরে ঘরবাড়ি ছাড়া। অভিযোগ দুই রোহিঙ্গা পাচারকারী মিটন শীল এবং টুটন শীলের বিরুদ্ধে। টুটন শীল এবং মিটন শীল নামের এই দুই অভিযুক্ত রোহিঙ্গা পাচারকারী কাজল শীলের স্ত্রীর স্বর্ণের অলংকার সহ নগদ ৭০ হাজার টাকা লুট করে নিয়ে যায় বলে অভিযোগ করেন কাজল শীলের স্ত্রী নিজেই। কাজল শীল এবং তার স্ত্রীর আরো অভিযোগ তারা অসহায় অবস্থায় মধুপুর থানায় অভিযোগ দায়ের করলেও কোন রকম তদন্ত আজ পর্যন্ত করেনি মধুপুর থানার পুলিশ। তাই বাধ্য হয়ে স্বামী-স্ত্রী অসহায় অবস্থায় দারস্ত হলেন বিশালগড় মহকুমা পুলিশ আধিকারিক এর কাছে। মধুপুর থানার পুলিশের বিরুদ্ধে এর আগেও বহু অভিযোগ রয়েছে। থানার নিষ্কর্মা অফিসার তদন্ত করার দায়িত্ব থেকে নিজেকে দূরে দূরে সরিয়ে রাখতে থানার রেজিষ্টারে অভিযোগ কারীদের অভিযোগ পত্র লিপিবদ্ধ করে রাখতে চায় না বলে ও বিভিন্ন সময়ের শরব হয়েছিলেন অভিযোগকারীরা। এবারে বিশালগড় মহকুমা পুলিশ আধিকারিক রোহিঙ্গা পাচারকারীদের বিরুদ্ধে কি ধরনের পদক্ষেপ গ্রহণ করে সেটাই দেখার।

