স্যন্দন ডিজিটাল ডেস্ক, আগরতলা, ৬ আগস্ট :রাজ্যে তথাকথিত নেশা মুক্ত ত্রিপুরার কর্মযজ্ঞ হচ্ছে। আর আমতলী থানাধীন বিভিন্ন এলাকায় জাকিয়ে বসেছে নেশা কারবারিরা। অলি গলিতে বিক্রি হচ্ছে ব্রাউন সুগার। রাষ্ট্রবাদী দলের আশীর্বাদে নেশা সামগ্রী যেন গোটা আমতলী থানা এলাকায় জলভাত হয়ে গেছে। এবার এলাকাবাসীর চাপে পড়ে পুলিশ ব্রাউন সুগার সহ এক মহিলাকে আটক করতে সক্ষম হয়। অভিযুক্ত মহিলার নাম মিনা বেগম। মতিনগর এলাকা থেকে এ মহিলাকে আটক করেছে পুলিশ। মহিলার বাড়ি থেকে উদ্ধার করা হয়েছে প্রায় ২১ গ্রাম ব্রাউন সুগার।
পাশাপাশি এই মহিলাকে গ্রেফতার করেছে আমতলী থানার পুলিশ। মহিলাকে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে পুলিশ জানতে পারে তার সাথে গাবদি এলাকার সোহাগ মিয়া নামে এক ব্যক্তি জড়িত রয়েছে। পুলিশ সেই ব্যক্তিকেও আটক করার জন্য চেষ্টা করছে। পাশাপাশি ধৃত মহিলার বিরুদ্ধে এনডিপিএস ধারা অনুযায়ী মামলা হাতে নেয় পুলিশ। উল্লেখ্য, সম্প্রতি এলাকার জনপ্রতিনিধি নিজ বিধানসভা কেন্দ্রে মাঠঘাট গরম করে নেশার বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করেছেন। অথচ ঘরের ইঁদুর বেড়া কাটছে বলে এলাকায় গুঞ্জন শুরু হয়েছে। অথচ মুখ খুলে কেউ প্রতিবাদ করতে পারছে না। নেশা মুক্ত ত্রিপুরার কর্মযজ্ঞ এভাবেই হচ্ছে গোটা বিধানসভা কেন্দ্রে। উল্লেখ্য, স্বর্ণ যুগ কিংবা হীরা যুগ নয়, রাজ্যে বর্তমানে চলছে নেশার যুগ। কারন রাজ্যে নেশার রমরমা বাণিজ্য চলছে। নেশার করাল গ্রাসে ধ্বংস হয়ে যাচ্ছে যুব সমাজ। গন্ধ হীন ড্রাগস সেবনের দিকে ঝুকছে স্কুল কলেজের পড়ুয়ারা। একই সিরিঞ্জ দিয়ে একাধিক লোক ড্রাগস সেবনের ফলে বর্তমানে রাজ্যে হু হু করে বৃদ্ধি পাচ্ছে এইডস আক্রান্তের সংখ্যা। অপরদিকে রাতারাতি ধনি হওয়ার স্বপ্নে বিভোর হয়ে পুরুষ দের পাশাপাশি একাংশ মহিলাও বর্তমানে নেশা বাণিজ্যের সাথে জড়িয়ে পড়ছে। রাজ্য সরকার নেশা মুক্ত ত্রিপুরা গড়ার ডাক দিয়েছে। আরক্ষা প্রশাসন বলছে নেশার বিরুদ্ধে তারা আপোষ হীন নীতি নিয়ে কাজ করছে। প্রশ্ন হচ্ছে তার পরও কি ভাবে রাজ্যে ড্রাগস আসছে। তাহলে কি আরক্ষা প্রশাসনের কোথাও গাফিলতি রয়েছে। বর্তমান সময়ে এইটাই ভাববার বড় বিষয়।

