স্যন্দন ডিজিটাল ডেস্ক, আগরতলা, ২ আগস্ট : ভারতে নিযুক্ত বাংলাদেশের হাইকমিশনার রিয়াজ হামিদুল্লাহ তিন দিনের সফরে ভারতের ত্রিপুরা সফরে এসেছেন। শুক্রবার ত্রিপুরা পৌঁছে আগরতলায় ইন্টিগ্রেটেড চেক পোস্ট পরিদর্শনের মাধ্যমে তাঁর সফর শুরু করেছেন। যেখানে তিনি ভারতের স্থলবন্দর কর্তৃপক্ষের কর্মকর্তাদের সাথে একটি বিস্তৃত বৈঠক করেছেন। শনিবার ছিল সফরের দ্বিতীয় দিন। এদিন তিনি হাইকমিশনার আগরতলা-আখাউড়া রেল সংযোগ প্রকল্পের অগ্রগতি পর্যালোচনা করেন। যা একটি প্রধান আন্তঃসীমান্ত সংযোগ উদ্যোগ।
আয়োজিত এই বৈঠকে দীর্ঘ দুই ঘন্টা আলোচনা করেন। বৈঠকে ভারত-বাংলাদেশ সীমান্ত দিয়ে বাণিজ্য এবং মানুষের সুষ্ঠু চলাচলের ক্ষেত্রে বাধা সৃষ্টি হওয়া মূল সমস্যাগুলি সমাধানের উপর আলোকপাত করা হয়েছিল। পরবর্তী সময়ে এই সমস্যাগুলো কিভাবে সমাধান করা যায় সে বিষয়ে আলোচনা হয়। শনিবার তিনি আগরতলা শহর লাগোয়া নিশ্চিন্তপুর রেল স্টেশন পরিদর্শনে যান। কথা বলেন রেলের কর্মকর্তাদের সাথে। বিস্তার আলোচনা হয় এদিন। দুই দেশের অন্যতম যোগাযোগের মাধ্যম হবে এই রেল পথ। তাই এই বিষয় নিয়ে আলোচনায় গুরুত্ব দিয়েছেন তিনি।
এই রেল পথ উত্তরপূর্বাঞ্চলের জন্য বাণিজ্যিক দোয়ার খুলে দিতে পারে। অত্যন্ত কম সময়ে এবং আয় সাপেক্ষ হবে এই রেলপথ। ২০২৪ সালের ৮ আগস্টের আগে এই রেলপথ চালু করার জন্য যথেষ্ট আগ্রহী ছিল দুই দেশের সরকার। কিন্তু মাঝপথে কৌটা আন্দোলন নিয়ে বাংলাদেশের পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে উঠায় এবং তৎকালীন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দেশ ছাড়ার কারণে আটকে পড়ে এই সুসম্পর্কের গতি। বর্তমানে ভারতের সঙ্গে বরফ গলতে শুরু করেছে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সঙ্গে। পাশাপাশি মৈত্রী সেতু নিয়ে আলোচনা হবে হাই কমিশনারের। তবে এ বিষয় নিয়ে সংবাদ মাধ্যমে সামনে মুখ খুলে নিয়ে তিনি।

