স্যন্দন ডিজিটাল ডেস্ক, আগরতলা, ২৮ জুলাই : বিলোনিয়া মহকুমার বরপাথরি সোনাপুর এলাকার বাসিন্দা সমর মজুমদারের কন্যা তৃষা মজুমদার ছিল বড়পাথরি সোনাপুর স্কুলে দশম শ্রেনীর ছাত্রী। কিন্তু শিক্ষক-শিক্ষিকার অপমান অপদস্থতার কারণে অকালে মৃত্যুর পথ বেছে নিল তৃষা। জানা যায়, গত ২৪ জুলাই বিদ্যালয়ে টেষ্ট পরিক্ষায় বায়োলজির খাতা দেয়। বায়োলজিতে ১৪ নাম্বারের মধ্যে ১৩ নাম্বার পেয়েছে তিশা। পরিক্ষায় একটি প্রশ্নে দুটি উত্তর লিখেছিল।
উত্তরটি সঠিক হবার পরেও এক নাম্বার কেটে দেয় বিদ্যালয়ের শিক্ষিকা বিনা দাস পাটারি। তারপর এই শিক্ষিকার নিকট গেলে তিনি তিশাকে স্টাফ রুমে নিয়ে গিয়ে অন্যান্য শিক্ষক শিক্ষিকাদের সঙ্গে নিয়ে অপমান অপদস্ত করে নানা ভাষায় কটুক্তি করেছে বলে অভিযোগ। শিক্ষিকা বিনা দাস পাটারির এই ধরনের ব্যাবহারে মর্মাহত হয়ে তৃষা মজুমদার বাড়ীতে এসে ঘাস মারার কীটনাশক ঔষধ পান করে অবুঝ তৃষা। পরে রবিবার সকালে জিবি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যু হয় তার। সোমবার দুপুরে তৃষার বাড়িতে ছুটে যান সিপিআইএমের এক প্রতিনিধি দল।
উপস্থিত ছিলেন প্রাক্তন বিধায়ক সুধন দাসের নেতৃত্বে এক প্রতিনিধি দল। প্রাক্তন বিধায়ক সুধন দাস ঘটনার দুঃখ প্রকাশ করে বলেন, কি চলছে রাজ্যের শিক্ষা ব্যবস্থায়? চরম উদাসীনতা লক্ষ্য করা যাচ্ছে। যার প্রতিফলন ঘটছে ছাত্র-ছাত্রীদের সঙ্গে শিক্ষক-শিক্ষিকাদের আচরণে। তিনি আরো বলেন যেমন রাজ্যে গণতন্ত্র নেই তেমন ছাত্র-ছাত্রীদের সঙ্গে শিক্ষক শিক্ষিকার কথা বলার পরিবেশ নেই। এই ঘটনার তীব্র নিন্দা জানানোর পাশাপাশি সুস্থ তদন্ত করতে হবে। এই ঘটনার তদন্ত করে ব্যবস্থা অবিলম্বে নেওয়া দরকার। কারণ এমন ঘটনা যাতে আগামী দিন কোন বিদ্যালয়ে না ঘটে বলে জানান তিনি।

