Wednesday, August 17, 2022
বাড়িরাজ্যবিরোধী সবকটি রাজনৈতিক দলের সঙ্গে বৈঠক করে প্রতিরোধ গড়ে তোলা হবে :...

বিরোধী সবকটি রাজনৈতিক দলের সঙ্গে বৈঠক করে প্রতিরোধ গড়ে তোলা হবে : সুদীপ

স্যন্দন ডিজিটাল ডেস্ক। আগরতলা। ২৬ জুন :  রাজ্যের মানুষকে এক নতুন দিশা দেখিয়েছে ৬ আগরতলা বিধানসভা কেন্দ্রের মানুষ। এই জয় কংগ্রেস দলের নয়, বিধায়ক সুদীপ রায় বর্মনের নয়, এ জয় ৬ আগরতলা বিধানসভা কেন্দ্রের মানুষের জয়।

রবিবার বিকেলে প্রদেশ কংগ্রেস ভবনে সাংবাদিক সম্মেলন করে এ কথা বললেন ৬ আগরতলা বিধানসভা কেন্দ্রের কংগ্রেস প্রার্থী সুদীপ রায় বর্মন। তিনি বলেন ৬ আগরতলা বিধানসভা কেন্দ্রে বিজেপি জয়ী হতে নানা চক্রান্ত করেছে। কিন্তু সফল হয় নি বিজেপি। ভোটে বাধা দেওয়া, ভোটারদের বাড়িঘর ভাঙচুর করা, রেগিং করার মধ্য দিয়ে উপ নির্বাচন সম্পন্ন হয়েছে। নির্বাচন কমিশন এবং পুলিশ প্রশাসনের কাছে বহু অভিযোগ জানানো হয়েছে। যেভাবে গণতন্ত্রকে হত্যা করার প্রয়াস নেওয়া হয়েছিল তা সক্ষম হয়েছে ৮ বড়দোয়ালি কেন্দ্রে। এই কেন্দ্রে ছাপ্পা ভোট, মিথ্যা ভোট প্রাধান্য পেয়েছে। কিন্তু দুই কেন্দ্রে ফলাফল ঘোষণার পর গণনা কেন্দ্র থেকে প্রদেশ কংগ্রেস ভবনের আসা হয়।

 কিন্তু আচমকা বাইক বাহিনী এসে হামলা চালায় । এক কংগ্রেস কর্মীকে ছুরিকাঘাত করে। কংগ্রেস কর্মী সমর্থকরা কংগ্রেস ভবন থেকে বের হয়ে আসলে পুলিশ আশ্বস্ত করে পরিস্থিতি সামাল দেওয়া হচ্ছে। পরবর্তী সময় মারাত্মকভাবে বাইক বাহিনী কংগ্রেস ভবনের উপর আক্রমণ চালায়। প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি উপর আক্রমণ হয়। কিন্তু পরিস্থিতি সামাল দিতে পারেনি পুলিশ। পুলিশের সামনেই সব কিছু ঘটে গেলো পুলিশ নির্বিকার ছিল এদিন। পুলিশকে বলা হয়েছে অভিযুক্তদের গ্রেফতার করে শাস্তির ব্যবস্থা গ্রহণ করার জন্য। আসলে তারা আগরতলা বিধানসভা কেন্দ্রের মানুষের রায় মেনে নিতে পারছে না। রাজ্যে আইনশৃঙ্খলা চরম অবনতি ঘটেছে। পূর্বের মুখ্যমন্ত্রীর সময় যে আইন-শৃঙ্খলার অবনতি ঘটেছিল তা বর্তমানে জারি রয়েছে। সুতরাং প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী সাথে বর্তমান মুখ্যমন্ত্রী কোন তফাৎ নেই । আর এই জিনিসটা বুঝানোর জন্য প্রাক্তনের কিছু পেটুয়া লোক প্রকাশ্যে দিনের বেলা থানা থেকে ১০ থেকে ২৫ মিটার দূরে এ ধরনের ন্যাকারজনক ঘটনা ঘটায় বলে জানান সুদীপ রায় বর্মন। এ ধরনের একদলীয় ব্যবস্থা মেনে নেওয়া হবে না, তা ৬ আগরতলা বিধানসভা কেন্দ্রের মানুষ স্পষ্ট করে দিয়েছে উপনির্বাচনে ফলাফলে। একদলীয় শাসন ব্যবস্থা চালাতে তারা এ ধরনের আক্রমণ বিরোধী দলের উপর লাগাতার চালিয়ে যাচ্ছে। সবচেয়ে নিন্দাজনক বিষয় হল যারা শহরে পত্রিকা অফিস এবং বিরোধী দলের কার্যালয়ে উপর যে ক্রেমিনাল আক্রমণ করেছিল, সেই ক্রেমিনাল আজকেও আবার শহরে সন্ত্রাসের ঘটনা সামিল হয়েছে। তাকে নাকি পুলিশ খুঁজে পায় না, গ্রেপ্তার হলেও ছাড়া পেয়ে যাচ্ছে। একটা কঠিন পরিস্থিতির মধ্যে রাজ্যের মানুষ চলছে। তাই মুখ্যমন্ত্রী যাতে তার নিজের দায়িত্ব পালন করেন। নাহলে উনার সাথে প্রাক্তনের তফাৎ থাকবে না বলে জানান সুদীপ রায় বর্মন।

বিজেপি ও সামাজিক এবং অগণতান্ত্রিক হয়ে উঠেছে। আর পুলিশের ভূমিকা অত্যন্ত উদ্বেগজনক। পুলিশ যদি উদ্দি সাংবিধানিক দায়িত্ব পালন করতে না পারে তাহলে তাদের উদ্দি খুলে নেওয়া দরকার। তিনি বলেন , সহসাই রাজ্যের প্রত্যেকটি বিরোধী দলের নেতৃত্বকে নিয়ে এক বৈঠক সংগঠিত করা হবে। আগামী দিনে কিভাবে প্রতিরোধ করে তোলা যায় সে বিষয়ে আলোচনা করা হবে। শুধু বসে বসে মার খাবে না বলে হুঁশিয়ারি দেন সুদীপ। স্বৈরাচারী শাসন ব্যবস্থা থেকে রাজ্যকে মুক্তি দিতে কংগ্রেসের বিকল্প নেই। তাই কংগ্রেসকে শক্তিশালী করতে আহ্বান জানান শ্রী বর্মণ। আয়োজিত সাংবাদিক সম্মেলনে এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন কংগ্রেস নেতা আশীষ কুমার সাহা সহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।

সম্পরকিত প্রবন্ধ

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে

সবচেয়ে জনপ্রিয়

সাম্প্রতিক মন্তব্য