স্যন্দন ডিজিটাল ডেস্ক, আগরতলা, ২ এপ্রিল : বিদ্যাজ্যোতি প্রকল্প নিয়ে লাগাতার অভিযোগ তুলছে রাজ্যের বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলি। আবারো কংগ্রেসের ছাত্র সংগঠন এন এস ইউ আই বিদ্যাজ্যোতি প্রকল্প নিয়ে সরব হয়েছে। বুধবার প্রদেশ কংগ্রেস ভবনে সাংবাদিক সম্মেলন করে প্রদেশ এন এস ইউ আই -র নেতা আমির হোসেন বলেন, রাজ্যের ১২৫ টি বিদ্যালয় বিদ্যাজ্যোতি আওতায় আনা হয়েছে। তারপর দেখা গেছে সি বি এস ই বোর্ডের নিয়ম অনুযায়ী বিদ্যালয়গুলির মধ্যে হিন্দি এবং ইংরেজিতে পড়াশোনা করতে হচ্ছে ছাত্রছাত্রীদের। প্রথমে নিয়ম ছিল যারা নবম শ্রেণীতে উত্তীর্ণ হবে তাদের হিন্দি এবং ইংরেজিতে পড়াশোনা করতে হবে।
বর্তমানে সরকার সেই নিয়ম তোয়াক্কা না করে যারা সপ্তম শ্রেণী থেকে অষ্টম শ্রেণীতে উত্তীর্ণ হচ্ছে তাদেরও হিন্দি এবং ইংরেজিতে পড়াশোনা করার। এভাবে যদি পড়াশোনা করতে না পারে তাহলে তাদের স্কুল ত্যাগ করতে হবে। সরকারের এ ধরনের সিদ্ধান্ত দ্বারা স্পষ্ট গরিব এবং মধ্যবিত্ত পরিবারের ছাত্র-ছাত্রীরা যাতে পড়াশুনা করতে না পারে। সরকারের মূল লক্ষ্য শিক্ষার অধিকার থেকে যাতে ছাত্র ছাত্রীরা পিছিয়ে পড়ে। ২০১৮ সালে বর্তমান সরকার প্রতিষ্ঠিত হওয়ার পর থেকে রাজ্যের শিক্ষা পরিকাঠামো দিনদিন সংকুচিত হচ্ছে। বর্তমান সরকারের এই ধরনের কিছু সিদ্ধান্তের কারণে ত্রিপুরা দেশের মধ্যে ড্রপ আউটে শীর্ষস্থানে এসে দাঁড়িয়েছে। এন এস ইউ আই বারবার দাবি করছে শিক্ষার সঠিক পরিকাঠামো নেই রাজ্যে। কারণ রাজ্যের স্কুল কলেজ গুলির মধ্যে পর্যাপ্ত শিক্ষক-শিক্ষিকা নেই। উদ্বেগ করার বিষয় হলো ২০২৪ সাল থেকে এখন পর্যন্ত রাজ্যের টেট ওয়ান ও টেট টু -তে প্রায় ৫১৯২ টি শিক্ষক পদ অবলুপ্ত হয়ে গেছে। এছাড়াও বর্তমান ডাবল ইঞ্জিন সরকারের বদান্যতায় ৮৫২৭ জন শিক্ষক শিক্ষিকার শূন্য হয়ে আছে। এর তীব্র সমালোচনা করে রাজ্যের শিক্ষা পরিকাঠামো সঠিক বিষয় নিয়ে যাওয়ার জন্য দাবি জানান তিনি।