স্যন্দন ডিজিটাল ডেস্ক, আগরতলা, ৩১ মার্চ : ইট, বালি এবং মাটি বুঝাই ৪০৭ লরি এবং ট্রিপার গাড়ি গুলি দৌরাত্ম্য বাড়ছে আগরতলা শহরের বুকে। পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণহীন ভাবে চলাফেরা করছে গাড়ি গুলি। প্রশাসনের পক্ষ থেকে গাড়ি গুলি নিয়ন্ত্রণ করার জন্য কোনরকম তৎপরতা লক্ষ্য করা যাচ্ছে না। অথচ দিনরাত ২৪ ঘন্টা গাড়ি গুলি আগরতলা শহরে এবং শহরতলী এলাকাগুলোর মধ্যে এতটাই দ্রুত বেগে মার মুখী হয়ে চলাচল করছে।
গাড়িগুলির জন্য শহর এলাকায় প্রতিনিয়ত ঘটছে যান দুর্ঘটনা। অথচ ট্রাফিক ও পুলিশ প্রশাসনের খামখেয়ালী পড়ার কারণে গাড়িগুলোর জন্য আতঙ্কে ভুগে অন্যান্য গাড়ি চালক। আগরতলা শহরের বাইপাস, আনন্দনগর, যোগেন্দ্র নগর, কলেজ টিলা, মহেশখলা, ডুকলি, আমতলী, প্রতাপগড়, বর্ডার গোল চক্কর, লংকামুড়া, বড়জলা সহ বিভিন্ন রাস্তা দিয়ে গাড়িগুলি লাগামহীনভাবে সকাল সন্ধ্যা ছুটছে। এবং গাড়িগুলির চালক অধিকাংশ সময়ে থাকছে উঠতি বয়সের যুবক। এরই মধ্যে সোমবার সকালে এক ভয়াবহ ঘটনার সাক্ষী রইল রাজধানীর শ্রীনগর থানার অন্তর্গত মলয়নগর নেপালি টিলায়। এদিন বালি বোঝাই লরি আনন্দনগর থেকে আসার সময় দ্রুত গতিতে এসে খাদে পড়ে যায়। ঘটনাস্থলেই মৃত্যু হয় গাড়ি চালক রাকেশ দেবনাথের। আহত হন একজন শ্রমিক।
খবর বেশ ছুটে আসে শ্রীনগর থানার পুলিশ। গাড়িটিকে ড্রজারের মাধ্যমে খাঁদ থেকে তোলা হয়। তারপর দমকল কর্মীরা মৃতদেহ নিয়ে যায় জিবি হাসপাতালের মর্গে। এবং আহত শ্রমিককে উদ্ধার করে হাসপাতাল পাঠায়। এই ঘটনায় ব্যাপক চাঞ্চল্য সৃষ্টি হয়েছে গোটা এলাকায়। গাড়ি গুলির গতি নিয়ন্ত্রণ না করায় প্রশাসনের দিকে আঙ্গুল তুলেছে স্থানীয়রা। কারণ গাড়িগুলির গতি নিয়ন্ত্রণ না করলে সাধারণ মানুষের জীবন হানি করতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে।