স্যন্দন ডিজিটাল ডেস্ক, আগরতলা, ৩১ মার্চ : সুশাসন ত্রিপুরায় দুষ্কৃতিকারীদের হাত থেকে রেহাই পাচ্ছে না খোদ পুলিশ। কোন ভূমিকা নিতে চাইলেও নিতে পারছে না। হাত-পা বাঁধা পুলিশের। এটাই প্রমাণ করলো আবার রাষ্ট্রপতি কালার্স প্রাপ্ত ত্রিপুরা পুলিশ এবং গর্বের টিএসআর জওয়ানরা। কর্তব্যরত পুলিশের উপর আক্রমণ একদল দুষ্কৃতিকারীর। ঘটনা চেলাগাং এলাকায়।
অথচ পদক্ষেপ গ্রহণ করেনি চেলাগাং থানার ওসি। এই ঘটনায় নিরব ভুমিকা চেলাগাং থানার ওসি বিমল বৈদ্যের বলে অভিযোগ। ঘটনার বিবরণে জানা যায় চেলাগাং থানাধীন ডেপাইছড়ি এলাকায় প্রতিনিয়ত বাইক চুরির ঘটনা ঘটে চলেছে। তাই নতুন করে ডেপাইছড়ি বুদ্ধ মন্দির এলাকায় একটি নাকা পয়েন্ট বসানো হলে নাকা পয়েন্টে তল্লাশি করার সময় কর্তব্যরত রাজ্য পুলিশের এএসআই এবং তিনজন টিএসআর জওয়ানের উপর হামলা চালায় একদল দুষ্কৃতিকারী। আক্রান্ত এ এস আই এর নাম জন্মজয় উচিয় এবং টি এস আর জওয়ানদের নাম চন্দন ত্রিপুরা, বাদল মালাকার ও রবীন্দ্র মন্ডল। এই ঘটনায় নিন্দার ঝড় উঠেছে এলাকায়। ঘটনার খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে ছুটে যান মহাকুমার সাংবাদিকরা। সাংবাদিক দেখে একপ্রকার পালিয়ে যান চেলাগাং থানার ওসি বিমল বৈদ্য।
কিন্তু কেন পুলিশ ও টি এস আর এর উপর ডিউটি অবস্থায় আক্রমণকারী দুই যুবক নিজেকে এই এলাকার বলে চলে গেলেও আটক করেননি চেলাগাং থানার গুনধর ওসি বিমল বৈদ্য। কি কারনে সংবাদ মাধ্যমের ক্যামেরা থেকে পালিয়ে গেলেন ওসি, এ নিয়ে বাড়ছে পুলিশ মহলে গুঞ্জন। তাহলে কি দুষ্কৃতিকারীদের সঙ্গে কোন ধরনের আঁতাত রয়েছে কিনা ওসির? এমনটাই দাবি করছে আক্রান্ত হওয়া পুলিশকর্মী সহ টি এস আর জওয়ানরা। অনেকের মতে এটাই যদি রাজ্যের সুশাসন হয় তাহলে দুঃশাসনের সংজ্ঞা কাকে বলে? এবং পুলিশি যদি দুর্বৃত্ত কারীদের হাত থেকে সুরক্ষিত না হতে পারে তাহলে জনগণের নিরাপত্তা কোথায়? তাহলে তো জনগণ সবার আগে নিরাপত্তাহীন!