Friday, August 28, 2026
বাড়ি রাজ্য মর্গে মৃতদেহ ময়না তদন্তের পর শোক মিছিল করে দেহ ফিরলো বাড়িতে, ঘটনাস্থল পরিদর্শনে গেলেন পুলিশের উচ্চপদস্থ আধিকারিকরা

মর্গে মৃতদেহ ময়না তদন্তের পর শোক মিছিল করে দেহ ফিরলো বাড়িতে, ঘটনাস্থল পরিদর্শনে গেলেন পুলিশের উচ্চপদস্থ আধিকারিকরা

মর্গে মৃতদেহ ময়না তদন্তের পর শোক মিছিল করে দেহ ফিরলো বাড়িতে, ঘটনাস্থল পরিদর্শনে গেলেন পুলিশের উচ্চপদস্থ আধিকারিকরা

স্যন্দন ডিজিটাল ডেস্ক। আগরতলা। ১৯ সেপ্টেম্বর : ছেলেকে তো আর ফিরে পাবো না! যারা আমার ছেলেকে খুন করেছে তাদের যাতে কঠোর শাস্তি হয়। জিবি হাসপাতালে মর্গের সামনে দাঁড়িয়ে চোখের জল ফেলে এই কথা বললেন এক ছেলে হারা বাবা। বিশ্বকর্মা পূজার দিন গভীর রাতে বাড়ি ফেরার সময় রাজধানীর বেলাবর লোকনাথ চৌমুহনী এলাকায় এক দল নেশাগ্রস্ত যুবক ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে হত্যার করে শুভঙ্কর সাহা নামে এক যুবককে।

তার বাড়ি বেলাবর কাঞ্চননগর এলাকায়। আহত যুবকের বাবা সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে জানান শুভঙ্কর রাতের বেলায় বাড়িতে আসছিল। সেই সময় তার উপর একদল যুবক ধারালো অস্ত্র দিয়ে হামলা চালায়। এতে শুভঙ্কর গুরুতর ভাবে আহত হয়। এলাকার লোকজন শুভঙ্করকে উদ্ধার করে প্রথমে হাপানিয়া হাসপাতালে নিয়ে যায়। সেখান থেকে তাকে জিবি হাসপাতাল রেফার করে দেওয়া হয় উন্নত চিকিৎসার জন্য। কিন্তু ছেলেকে বাঁচাতে পারেনি। চিকিৎসকের সমস্ত চেষ্টা ব্যক্ত করে মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়েছে শুভঙ্কর। তারপর তদন্তে নেমে আমতলী থানার পুলিশ পাপন চক্রবর্তী নামে এক যুবককে গ্রেফতার করেছে বলে সূত্রে খবর।

 বৃহস্পতিবার সকালে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করতে যান পশ্চিম জেলার পুলিশ সুপার কিরণ কুমার কে, এডিশনাল এসপি, এসডিপিও সহ পুলিশের উচ্চপদস্থ আধিকারিকরা। ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে বিভিন্ন তথ্য তারা সংগ্রহ করে। কিন্তু তদন্তের স্বার্থে সংবাদ মাধ্যমের সামনে মুখ খোলেননি। এদিকে দুপুরে নাগাদ শুভঙ্করের মৃতদেহ পরিবার পরিজনদের হাতে তুলে দেওয়া হয়। মৃতদেহ পেয়ে কান্নায় ভেঙে পড়ে পরিবার পরিজন। জিবি হাসপাতালের মর্গে মৃতদেহ ময়না তদন্ত হওয়ার পর একটি শোক মিছিল সংঘটিত করে বাড়ির উদ্দেশ্যে নিয়ে আসা হয় মৃতদেহটি। পরিবার-পরিজন থেকে শুরু করে এলাকাবাসী অভিযুক্তদের কঠোর শাস্তি দাবী করেছে এদিন। মিছিলে সিংহভাগ ছিল যুব মোর্চার কর্মী সমর্থক। কারণ শুভঙ্কর যুব মোর্চার সক্রিয় সদস্য ছিলেন। তাই এই হত্যার পেছনে যারা দায়ী তাদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি করা হয় শোক মিছিল থেকে।

Abhishek Dey
সাংবাদিক (Journalist)

মন্তব্য সমূহ (0)

  • এখনো কোনো মন্তব্য করা হয়নি। প্রথম মন্তব্যকারী হোন!

আপনার মতামত জানান

Captcha