Sunday, June 23, 2024
বাড়িরাজ্যপশ্চিমবাংলায় দুঃশাসন তৃণমূলের আসন্ন পতনের ইঙ্গিত দিচ্ছে: মুখ্যমন্ত্রী

পশ্চিমবাংলায় দুঃশাসন তৃণমূলের আসন্ন পতনের ইঙ্গিত দিচ্ছে: মুখ্যমন্ত্রী

স্যন্দন ডিজিটাল ডেস্ক। আগরতলা। ১৯ মে : পশ্চিমবাংলায় সন্ত্রাস ও হিংসায় মদত দিচ্ছে তৃণমূল কংগ্রেস। এই সরকারে থাকা পার্টি সিপিএম-এর একেবারে কার্বন কপি। পশ্চিমবাংলায় যে দুঃশাসন চলছে আগামীতে এটাই তৃণমূল কংগ্রেসের অন্যতম পতনের কারণ হয়ে দাঁড়াবে।                        রবিবার পশ্চিমবঙ্গের মথুরাপুর লোকসভা কেন্দ্রের ভারতীয় জনতা পার্টি মনোনীত প্রার্থী অশোক পুরকাইতের সমর্থনে রামগঙ্গা বাসস্ট্যান্ডে আয়োজিত সমাবেশে একথা বলেন মুখ্যমন্ত্রী প্রফেসর ডাঃ মানিক সাহা।

                      সমাবেশে বক্তব্য রাখতে গিয়ে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, ত্রিপুরায় দীর্ঘ ৩৫ বছর ধরে বামফ্রন্টের কুশাসন চলেছিল। আর সেখান থেকে ২০১৮ সালে আমাদের মুক্তি দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। এরআগে আরো ৫ বছর কংগ্রেসের জোটকে সুযোগ দিয়েছিলেন ত্রিপুরার মানুষ। কিন্তু তারাও একই কায়দায় শাসন চালিয়েছে। পশ্চিমবঙ্গেও সুদীর্ঘ বছর বামফ্রন্ট ক্ষমতায় ছিল। মানুষ চেয়েছিল একটা পরিবর্তন। তাই তৃণমূলকে বিশ্বাস করে মানুষ সমর্থন জানিয়েছিল। মানুষের সমর্থনে তৃণমূলের সরকার গঠন হয়েছে। কিন্তু তিন বছর যেতে না যেতে বামফ্রন্টের কার্বন কপি বা তার চাইতেও বেশি দুষ্কর্ম বা কুকর্ম চালানো সরকার প্রত্যক্ষ করছে মানুষ। যেখানে সর্বত্র নারীদের বিরুদ্ধে সহিংসতা ও অপরাধের ঘটনা ঘটছে।

                    মুখ্যমন্ত্রী ডাঃ সাহা বলেন, এই লোকসভা নির্বাচন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির নেতৃত্বকে শক্তিশালী করতে এবং উন্নয়নের দিকে মনোনিবেশ করে আগামী ১ হাজার বছরের জন্য দেশ কোন দিশায় এগিয়ে যাবে সেটার দিকনির্দেশ নির্ধারণের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ। মানুষ শান্তিতে থাকতে চাই। আর পশ্চিমবঙ্গের সবেতে শুধু অরাজকতা। মন্ত্রী থেকে শুরু করে অধিকাংশ তৃণমূল কর্মী সবাই লক্ষ লক্ষ টাকা কামাচ্ছেন। আমরা বিশ্বাস করতাম যে বাংলা আজ যা ভাবে, ভারত কাল তা ভাবে। কিন্তু সবকিছু বদলে গেছে। একসময় রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ও বঙ্কিমচন্দ্রের মতো মানুষের জন্য পরিচিত বাংলা এখন দুঃশাসনের করাল গ্রাসে। এখানে শতাধিক মানুষ খুন হয়েছেন। কিন্তু সরকার নীরব ভূমিকায়। যা এখনো অব্যাহত রয়েছে।

                  ডাঃ সাহা জোর দিয়ে বলেন মানুষ পরিবর্তন চায় এবং প্রধানমন্ত্রীকে মানুষ বিশ্বাস করে। মানুষ বিশ্বাস করে যে শুধুমাত্র তিনিই তাদের স্বাধীনতা দিতে পারেন। এখন মাইক্রোস্কোপ দিয়েও সিপিএমকে খুঁজে পাচ্ছেন না মানুষ এবং পশ্চিমবাংলায় দুঃশাসন তৃণমূলের আসন্ন পতনের ইঙ্গিত দিচ্ছে। এখন মানুষের উদ্বিগ্ন হওয়ার দরকার নেই। কারণ আমাদের প্রধানমন্ত্রী মোদি, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ এবং বিজেপির জাতীয় সভাপতি জেপি নাড্ডার মতো অভিভাবক রয়েছেন। পশ্চিমবঙ্গে এখন আমাদের লক্ষ্য লোকসভার ৪২টি আসনের মধ্যে ৩২টি আসনে জয়ী হওয়া। আমি আত্মবিশ্বাসী কারণ আমরা মানুষের কাছ থেকে ব্যাপক সমর্থন পাচ্ছি। 

                              সমাবেশকে ঘিরে ভারতীয় জনতা পার্টির জেলা ইনচার্জ দেশপ্রিয় বারিক, জেলা কো-ইনচার্জ নীতিশ মন্ডল, হরেকৃষ্ণ দত্ত সহ দলের শীর্ষ নেতৃত্ব সহ হাজার হাজার কর্মী সমর্থক উপস্থিত ছিলেন।

সম্পরকিত প্রবন্ধ

সবচেয়ে জনপ্রিয়

সাম্প্রতিক মন্তব্য