Wednesday, May 29, 2024
বাড়িরাজ্যনির্বাচনের পর কংগ্রেসদের একজন বিধায়ক ছাড়া আর কেউ থাকবে না, পরের নির্বাচনে...

নির্বাচনের পর কংগ্রেসদের একজন বিধায়ক ছাড়া আর কেউ থাকবে না, পরের নির্বাচনে সেই একজন বিধায়ক থাকবে না : রতন লাল নাথ

স্যন্দন ডিজিটাল ডেস্ক। আগরতলা। ১৩ এপ্রিল : বড়সড়ো ভাঙ্গন ধরতে চলছে কংগ্রেসে। একজন বিধায়ক ছাড়া বাকি দুই বিধায়ক নির্বাচনের পর কংগ্রেস ছেড়ে চলে আসবে। এরপরের নির্বাচনে অস্তিত্বই থাকবে না কংগ্রেসের। ৭ রামনগর বিধানসভা কেন্দ্রের ভোট প্রচারে গিয়ে এই কথা বললেন মন্ত্রী রতন লাল নাথ। ৭ রাম নগর বিধানসভা কেন্দ্রের উপনির্বাচনে বিজেপি মনোনীত প্রার্থী দীপক মজুমদারের সমর্থনে প্রগতির স্কুল মাঠ থেকে বের হয় একটি বাইক মিছিল।

প্রার্থী দীপক মজুমদারকে সঙ্গে নিয়ে একটি হুড খোলা গাড়িতে করে প্রচার মিছিলে অংশ নিলেন মন্ত্রী রতন লাল নাথ ও সুশান্ত চৌধুরী। মন্ত্রী রতন লাল নাথ সংবাদ মাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে বলেন, পশ্চিম ত্রিপুরা আসনের বিজেপি মনোনীত প্রার্থী বিপ্লব কুমার দেব এবং সাত রামনগর বিধানসভার কেন্দ্রের বিজেপি মনোনীত প্রার্থী দীপক মজুমদার বিপুল ভোটে জয়যুক্ত হবে। কারণ বিগত দিনে রতন দাস এমন কোন ভালো কাজ করেনি যে তাঁকে মানুষ সমর্থন করবে। মন্ত্রী বলেন তিনি রামনগরবাসীকে ভালো করে চেনেন। বিগত দিনে প্রয়াত বিধায়ক সুরজিৎ দত্তের সঙ্গে ছিলেন। বর্তমানে তারা আবার উপযুক্ত একজন প্রার্থী পেয়েছেন। তাই এই নির্বাচনের পর সিপিআইএম বিরোধী দলের মর্যাদা হারাবে।

 বিরোধীদের জামানাত জব্দ হবে বলে অভিমত ব্যক্ত করেন মন্ত্রী। মন্ত্রী আরো বলেন, এই নির্বাচনের পর বর্তমান বিরোধী দলনেতা জিতেন্দ্র চৌধুরীর সংখ্যাও থাকবে না, কংগ্রেসেও মাত্র একজন বিধায়ক থাকবে। পরের নির্বাচনে একজন বিধায়কও থাকবে না। ইতিমধ্যে তাঁরা যোগাযোগ শুরু করেছে। আসন্ন নির্বাচনের জন্য কংগ্রেসের এই বিধায়করা সহযোগিতা করছে। তারা চাইছে এখনই কংগ্রেস ছেড়ে বিজেপিতে যোগদান করার। কিন্তু তাদের বলা হয়েছে নির্বাচনের পর আসার জন্য বলে জানান মন্ত্রী রতন লাল নাথ। তারা জানে রামনগর বিধানসভা কেন্দ্র থেকে একটি ভোটও সিপিআইএম প্রার্থীকে দেওয়া গ্রহণ যোগ্য নয়। কারণ কত মানুষ খুন হয়েছে! বহু বিধায়ক এবং এসডিএম খুন হয়েছে তাদের আমলে। এগুলির সবগুলি সাক্ষী প্রমাণ লোপাট করে গেছে বামফ্রন্ট সরকার। কিন্তু ২০১৮ সালের পর কোন রাজনৈতিক খুন হয়নি। তাই কোন লজ্জায় ভোট চাইবে তারা? এই প্রশ্ন তোলেন মন্ত্রী।

তিনি বলেন সিপিআইএম এবং কংগ্রেস আর কোনদিনও ত্রিপুরা রাজ্যে আসবেনা। এদিকে মন্ত্রী সুশান্ত চৌধুরী বলেন, কংগ্রেস দলে শহীদ হওয়া কর্মীদের রক্ত ভুলে গেছে। তাই তারা জোট হয়েছে সিপিআইএমের সাথে। কিন্তু তাদের এই জোট ২০২৩ বিধানসভা নির্বাচনেও মানুষ মেনে নেয়নি এবং আসন্ন নির্বাচনেও মানুষ মেনে নেবে না বলে জানান মন্ত্রী সুশান্ত চৌধুরী। এদিন ভোট প্রচারে মন্ত্রীদ্বয় ছাড়ো উপস্থিত ছিলেন মনোনীত প্রার্থী দীপক মজুমদার সহ অন্যান্য নেতৃত্ব।

সম্পরকিত প্রবন্ধ

সবচেয়ে জনপ্রিয়

সাম্প্রতিক মন্তব্য