স্যন্দন ডিজিটাল ডেস্ক। আগরতলা। ১৭ ফেব্রুয়ারি : উন্নয়নের ধরাছোঁয়ার বাইরে জম্পুইজলা টেলারবন হাই সেকেন্ডারি স্কুল। ময়লার স্তর জমে স্কুলের নাম পর্যন্ত ডেকে যাচ্ছে। হয়তো আর কয়দিন পরে নাম গোত্রহীন হয়ে পড়বে হয়ে পড়বে স্কুলটি। থাকবে শুধু দালান ঘর। এই দৃশ্য দেখলে হয়তো সুশাসনের নাম জপ করা যেকোনো নেতা মন্ত্রী চোখ কপালে ঠেকবে।
জন্ম লগ্ন থেকে স্কুলটি বিভিন্ন সমস্যায় জর্জরিত হলেও নজর নেই শিক্ষা দপ্তরের। বিষয়কেন্দ্রিক শিক্ষকের অভাব থেকে শুরু করে নানা সমস্যায় ভুগছে স্কুলের ছাত্রছাত্রীরা। ক্লাসে ক্লাসে ছাত্রছাত্রীর দেখা পাওয়া গেলেও শিক্ষক শিক্ষিকাদের দেখা মিলল না, তারা বসে আছে স্টাফ রুমে। ক্লাস করানোর জন্য কোন শিক্ষক স্টাফ রুম থেকে ক্লাসমুখেও হচ্ছে না। পড়ুয়ারা ক্লাস পরিস্কার করছে। এক ছাত্রী জানায় স্কুলে ককবরক শিক্ষক নেই, পানীয় জলের সংকট রয়েছে এবং বিদ্যুতের সমস্যায় তাদের প্রায়ই দুর্ভোগ পোহাতে হয়। সবচেয়ে বড় সমস্যা দেওয়াল নেই স্কুলে।
এবং এই সমস্যাগুলি স্বীকার করেছেন স্কুলের এক শিক্ষক। তিনি জানান স্কুলে প্রতিবছর বৃক্ষরোপণ অনুষ্ঠান করা হয়। কিন্তু দেওয়াল না থাকায় মূল্যবান গাছের চারা রক্ষণাবেক্ষণ করা যায় না। স্কুলে ১২ জন শিক্ষক রয়েছেন। ছাত্র-ছাত্রীর সংখ্যা ৯০ জন। স্কুলের সমস্যা গুলি সমাধান করার জন্য পঞ্চায়েত থেকে শুরু করে অনেকের কাছে জানানো হলেও কাজের কাজ কিছুই হয় না। তবে এই বেহাল চিত্র শুধু এই স্কুলেরই নয়, আরো বহু স্কুল এই ধরনের সমস্যায় ভুগছে। প্রশ্ন হচ্ছে উন্নয়নের টাকা কারা গিলে খাচ্ছে ? না হলে স্কুলে অবস্থা এত বেহাল হতো না।

