Wednesday, June 19, 2024
বাড়িরাজ্যডেপুটেশনের নামে উচ্ছৃঙ্খলতা মথার, ভেঙে গুড়িয়ে দিল পুলিশের বেরিকেড, উত্তপ্ত লেফাঙ্গা

ডেপুটেশনের নামে উচ্ছৃঙ্খলতা মথার, ভেঙে গুড়িয়ে দিল পুলিশের বেরিকেড, উত্তপ্ত লেফাঙ্গা

স্যন্দন ডিজিটাল ডেস্ক। আগরতলা। ২৩ আগস্ট : তিপ্রা মথা গণতান্ত্রিক কর্মসূচির নামে উত্তপ্ত করলো লেফুঙ্গা ব্লক চত্বর। পুলিশের সাথে মথার কর্মী সমর্থকদের হয় ধস্তাধস্তি। ভেঙে ফেলে পুলিশের ব্যারিকেড। জানা যায় ৫ দফা দাবিতে ব্লকের বিডিও -র কাছে ডেপুটেশন দিতে রওনা হয়েছিল মথার কর্মী সমর্থকরা। নির্দিষ্ট সংখ্যক কর্মী গিয়ে বিডিও -র কাছে ডেপুটেশন দেওয়ার জন্য বলা হলে সেখানেই শুরু হয় পুলিশের সাথে মথার কর্মীদের ধস্তাধস্তি।

 পুলিশ ব্যারিকেড দিয়ে ব্লকের সামনে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা করে। কিন্তু উত্তেজিত কর্মীরা বেরিকেড ভেঙে মারমুখী হয় বলে অভিযোগ। আর আধা সামরিক বাহিনীকে সামনে দিয়ে তখন পুলিশ নিজে বাঁচার চেষ্টা করেছে। কোন ধরনের কড়া পদক্ষেপ গ্রহণ করতে পুলিশে দেখা যায়নি এদিন। মানুষজন ধীরে ধীরে এলাকার দোকানপাট থেকে চলে যেতে শুরু করে। বন্ধ হয়ে যায় দোকানপাট। ব্লকের কর্মীরা আতঙ্কগ্রস্ত হয়ে ব্লকের নিরাপদ স্থানে আশ্রয় নেয়। আশ্চর্যের বিষয় হলো রাজ্যের প্রধান বিরোধী দলের আসনে রয়েছে তিপ্রা মথা। জনগণের স্বার্থ সংশ্লিষ্ট বিষয় নিয়ে আন্দোলন করাই স্বাভাবিক। কিন্তু যেখানে তিপ্রা মথার আন্দোলন সেখানেই উচ্ছৃংখলতা চূড়ান্ত লক্ষ্য করা যাচ্ছে বলে অভিমত সচেতন মহলের। নষ্ট করা হচ্ছে সরকারি সম্পত্তি। আন্দোলনের নাম করে গ্রাম পাহাড় সমতল সর্বত্রে উত্তপ্ত পরিস্থিতি সৃষ্টি করছে দলের কতিপয় কর্মী সমর্থকরা। রাজ্যের প্রধান বিরোধী দলে আসনে বসে থেকে শান্তি সম্প্রীতি এভাবে জলাঞ্জলি দেওয়া কতটা যুক্তিসংগত সেটা জানা নেই। কিন্তু সদ্য জন্মানো দলের এ ধরনের উচ্ছৃংখলতা ক্রমশ দলের মোহ হারাচ্ছে।

 সাধারণ মানুষ বিষয়টি সাধারণভাবে মেনে নিচ্ছে না। মৌলিক অধিকার পূরণের আগে জরুরী শান্তি ও সম্প্রীতি। কার মদতে এবং কাজ ষড়যন্ত্র এ ধরনের ঘটনা বাড়ছে তা জানা নেই সচেতন মহলের। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে এদিন পুলিশ এক প্রকার ভাবে হাতে চুরি পড়ে ছিল। ফলে মথার চোখ রাঙানোতে আতঙ্কিত হয়ে পড়ে ব্লকের কর্মীরা। বেলা বাড়ার সাথে সাথে নিজ নিজ বাড়ির উদ্দেশ্যে রওনা হয় কর্মীরা। গত কয়েক মাসে এ ধরনের আচরণ বিভিন্ন জায়গায় করে দেখিয়েছে মথার কর্মী সমর্থকরা। যা সাধারণভাবে দেখলে ভুল হবে। যেকোন সময় এ ধরনের উগ্র আন্দোলনে ঘটে যেতে পারে বড়সড়ো অপ্রিতীকর ঘটনা। এমনটাই দাবি প্রত্যক্ষদর্শীদের।

পূর্ববর্তী নিবন্ধ
পরবর্তী নিবন্ধ
সম্পরকিত প্রবন্ধ

সবচেয়ে জনপ্রিয়

সাম্প্রতিক মন্তব্য