Wednesday, July 29, 2026
বাড়ি রাজ্য ২০২৩-২৪ অর্থবছরের বাজেটে বঞ্চনা হয়েছে এডিসি : অনিমেষ

২০২৩-২৪ অর্থবছরের বাজেটে বঞ্চনা হয়েছে এডিসি : অনিমেষ

২০২৩-২৪ অর্থবছরের বাজেটে বঞ্চনা হয়েছে এডিসি : অনিমেষ

স্যন্দন ডিজিটাল ডেস্ক। আগরতলা। ২১ জুলাই : বিজেপি কার্যালয়ে বসে মন্ত্রী রতনলাল নাথ এডিসি -র জন্য অর্থ-বরাদ্দের প্রসঙ্গে সাংবাদিক সম্মেলন করে যা তা বলেছেন। কিন্তু এই কথাগুলি যদি বিধানসভায় বলতেন তাহলে তিনি আইনের ফাঁদে পড়তেন। শুক্রবার বিধানসভায় বসে মন্ত্রী রতনলাল নাথের প্রসঙ্গে এই কথা বললেন বিরোধী দলনেতা অনিমেষ দেববর্মা। গত সাত জুলাই ২০২৩-২৪ অর্থবছরের বাজেট অধিবেশন পেশ হওয়ার পর রাজ্যের প্রধান বিরোধী দল অনিমেষ দেববর্মা দাবি করেছিলেন এডিসি -র জন্য বাজেটে মাত্র ২.৭ শতাংশ অর্থ বরাদ্দ করা হয়েছে।

তারপর গত ১৯ জুলাই প্রদেশ বিজেপি কার্যালয়ে বসে মন্ত্রী সাংবাদিক সম্মেলন করে দাবি করেন ৩১ শতাংশ জনজাতিদের জন্য ৩৯.৮১ শতাংশ অর্থ বাজেটে রেখেছে সরকার। মন্ত্রী আরো বলেছেন ২০১৮ সালে ভারতীয় জনতা পার্টির সরকার প্রতিষ্ঠিত হওয়ার পর ৩৮.৪০ শতাংশ অর্থ জনজাতিদের জন্য বরাদ্দ করা হয়েছিল। কিন্তু এই বিষয় নিয়ে বিরোধীরা যখন বিধানসভায় উত্থাপন করেছিলেন তখন শাসক দলের সদস্যরা কেন মুখ খোলেন নি? এরপর ভিত্তিতে তিনি আরো বলেন মন্ত্রী দাবি করেছেন জনজাতিদের জন্য অতিরিক্ত অর্থ বরাদ্দ করা হয়েছে। সেটা কখনো চায় না তিপ্রা মথা। কারণ অতিরিক্ত অর্থ বরাদ্দ হলে সেটা সাধারণ ক্যাটাগরি এবং ওবিসি ও এসসি ক্যাটাগরি থেকে বরাদ্দ হবে। এবং বঞ্চিত হবে সেসব ক্যাটাগরির মানুষ।

তিপ্রা মথার দাবি রাজ্যের ৩১ শতাংশ জনজাতিদের জন্য ৩১ শতাংশ অর্থ বরাদ্দ করার জন্য। তিনি আরো বলেন, তিপ্রা মথার হিসেবে লক্ষ্য করা যাচ্ছে ২৭ হাজার ৬৫৪ কোটি ৪০ হাজার টাকার বাজেটের মধ্যে মাত্র এডিসি -র জন্য ২.৭ শতাংশ অর্থাৎ ৬ হাজার ৭২ কোটি ৬৪ লক্ষ ৩০ হাজার টাকা বরাদ্দ করা হয়েছে। সুতরাং প্রদেশ বিজেপি কার্যালয়ে বসে মন্ত্রী রতন লাল নাথ সাংবাদিক সম্মেলন না করে যদি বিধানসভায় সরাসরি বিরোধীদের প্রশ্নোত্তরে বলতেন তাহলে সেদিন সেটা রেকর্ড হতো। এবং এ বিষয় নিয়ে কেউ যদি প্রশ্ন করতেন তাহলে তিনি আইনের ফাঁদে পড়তেন বলে জানান বিরোধী দল। সুতরাং পার্টি অফিসে বসে যা তা বলা যায় বলে জানান অনিমেষ দেববর্মা। সর্বশেষ অনিমেষ দেববর্মা বলেন ২০২৩-২৪ অর্থবছরের বাজেটে এডিসি -কে বঞ্চনা করেছে সরকার। তারা জনজাতিদের উন্নয়নের দিকে কোন গুরুত্ব দিচ্ছে না। এ নিয়ে তদন্ত জরুরি। পানীয় জল ও বিদ্যুৎ সহ বিভিন্ন সমস্যায় যে জনজাতি অংশের মানুষ ভুগছে সেটা শ্বেতপত্র আকারে বের হয়ে আসবে বলে অভিমত ব্যক্ত করেন তিনি।

Abhishek Dey
সাংবাদিক (Journalist)

মন্তব্য সমূহ (0)

  • এখনো কোনো মন্তব্য করা হয়নি। প্রথম মন্তব্যকারী হোন!

আপনার মতামত জানান

Captcha