স্যন্দন ডিজিটাল ডেস্ক। আগরতলা। ৫ জুলাই : বাজারে নিয়ন্ত্রণ হারিয়েছে সবজির মূল্য। প্রশাসনের চলছে ডেইলি হাজরা। প্রশাসনের নির্দেশ কলাপাতা।ব্যবসায়ীরা মনগড়া বৃদ্ধি করে চলেছে সবজির মূল্য। বাজারে গিয়ে সাধারণ ক্রেতাদের হাঁসফাঁস অবস্থা। গত কয়েকদিন ধরে কাচা লঙ্কা, টমেটো, আদা, শসা সহ অন্যান্য সবজির অস্বাভাবিক মূল্য নিয়ন্ত্রন করতে মাঠে নেমেছে সদর মহকুমা প্রশাসন ও খাদ্য দপ্তর সহ সংশ্লিষ্ট দপ্তরের কর্মীদের নিয়ে গঠিত বিশেষ টাস্ক ফোর্স।
বুধবারও মাঠে নামলেন খাদ্য দপ্তরের অধিকর্তা নির্মল অধিকারীর নেতৃত্বে খাদ্য দপ্তরের উপ অধিকর্তা সহ মহকুমা প্রশাসনের আধিকারিকেরা। এদিন মহারাজগঞ্জ বাজারে গিয়ে তাঁদের নজরে আসে রেশনের চাল পাচারের বিষয়টি। বৈধ কোন কাগজ দেখাতে না পারায় ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দেন আধিকারিক। মহারাজগঞ্জ বাজারের সব্জি বাজার সহ অন্যান্য দোকান গুলিতে অভিযান চালায় তারা। খাদ্য দপ্তরের অধিকর্তা নির্মল অধিকারি জানান এটা রুটিন অভিযান। কেবল মহারাজগঞ্জ বাজার নয় অন্যান্য বাজার গুলিতেই এই অভিযান চালানো হচ্ছে। তবে অভিযানে নেমে তাঁদের নজরে আসে রেশনের চাল অবৈধ ভাবে পাচার করা হচ্ছে। তা বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে। প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। ক্রেতাদের সুরক্ষা প্রদান দপ্তরের দায়িত্ব। তাই বাজার গুলিতে যে সমস্ত সামগ্রী অধিক মূল্যে বিক্রি করা হচ্ছে তাঁদের এই কাজ থেকে বিরত থাকার অনুরোধ করা হবে। পরবর্তীতে পদক্ষেপ নেওয়া হবে বলে জানান তিনি। খাদ্য দপ্তরের অধিকর্তা স্পষ্ট করে দেন বর্তমানে রাস্তা সচল রয়েছে।
ফলে সামগ্রী আসার ক্ষেত্রে কোন সমস্যা নেই। তাই যে দাম বেড়েছে তা কমা উচিৎ বলে জানান তিনি। কাঁচামালের মূল্য সেভাবে নির্ধারণ করে দেওয়া যায়না বলে দাবী করেন অধিকর্তা। তবে এগ্রি প্রডিউসার্স- দের সঙ্গে আলোচনা হয়েছে বলে জানান। কিছু সামগ্রীর মূল্য বোর্ডে উল্লেখ রাখার বিষয়টি নিশ্চিত করতে বিক্রেতাদের বলা হয়েছে। এতে সমস্যা অনেকটাই কমবে। অভিযানকালে মহারাজগঞ্জ বাজার থেকে ১১ বস্তা পি ডি এস চাল উদ্ধার হয় একটি ঠেলা থেকে। ৩ টি এল পি জি ডোমেস্টিক সিলিন্ডার উদ্ধার হয় তপন সাহার দোকান থেকে। কাগজপত্র ও মজুতে অসঙ্গতি পাওয়ায় অধিকর্তার নির্দেশে দোকান বন্ধ করা হয়।। এরপর এম বি টিলা বাজারে গৌতম দেবের দোকান থেকে ২ টি ডোমেস্টিক সিলিন্ডার বাজেয়াপ্ত করা হয়। অধিকর্তা নির্মল অধিকারী জানিয়েছেন সবার বিরুদ্ধে নোটিশ ইস্যু করা হবে। গ্রহণ করা হবে উপযুক্ত ব্যবস্থা। যদিও বাজারে অসাধু ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে প্রশাসনের এখন পর্যন্ত তেমন করা পদক্ষেপ দেখা যায়নি। যার ফলে প্রশাসনের নির্দেশ কলাপাতা ছাড়া আর কিছু নয়। সাধারণ মধ্যবিত্ত ঘরের মানুষের পকেট কাটা হলে প্রশাসনের কিছু আসে যায় না। তাই এভাবে দায়িত্বজ্ঞানহীন ভাবে চলছে সবকিছু।

