স্যন্দন ডিজিটেল ডেস্ক ০৬ ফেব্রুয়ারি : সামনেই বাংলাদেশে সাধারণ নির্বাচন। তার আগে ফের উত্তপ্ত হল রাজধানী ঢাকা। বৃহস্পতিবার সকালে দেশের অন্তবর্তী সরকারের প্রধান মহম্মদ ইউনুসের বাসভবনের বাইরে বিক্ষোভে শামিল হলেন সরকারি কর্মীরা। পরিস্থিতি মোকাবিলা করতে সেখানে মোতায়েন করা হয়েছে বিশাল পুলিশ বাহিনী। জানা যাচ্ছে, পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষে আহত হয়েছেন বেশ কয়েকজন বিক্ষোভকারী।
বৃহস্পতিবার সকালে দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে সরকারি কর্মীরা শহিদ মিনারের সামনে জড়ো হন। এরপর তাঁরা মিছিল করে জমুনার উদ্দেশে রওনা দেন। তাঁদের দাবি, সরকারি কর্মীরা দিনের পর দিন বঞ্চনার শিকার হচ্ছেন। অবিলম্বে নবম পে-স্কেলের গেজেট প্রকাশ ও তার বাস্তবায়ন করতে হবে। আন্দোলনকারীরা স্লোগান তোলেন, “পেটে ভাত নেই – কীসের উন্নয়ন হচ্ছে?” বিক্ষোভ দমন করতে ঢাকার রাজপথে নামানো হয় শয়ে শয়ে পুলিশ কর্মীকে। মিছিল রুখতে একাধিক পদক্ষেপ করা হয়। ব্যারিকেড দিয়ে ঘিরে ফেলা হয় বহু রাস্তা। কিন্তু পুলিশি বাধা অগ্রাহ্য করেই একের পর এক ব্যারিকেড ভাঙতে শুরু করেন আন্দোলনকারীরা। তাঁদের ছত্রভঙ্গ করতে লাঠিচার্জ করে পুলিশ।
সকাল সাড়ে এগারোটা নাগাদ শাহবাগে পুলিশের আরও একটি ব্যারিকেড ভেঙে মিছিল এগোনোর চেষ্টা করলে পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়। লাঠি চার্জের পাশাপাশি বিক্ষোভকারীদের ছত্রভঙ্গ করতে ফাটানো হয় কাঁদানে গ্যাসের সেল। চালানো হয় জল কামান। বেশ কয়েকজন আন্দোলনকারী ইউনুসের বাসভবনের সামনে গিয়ে বিক্ষোভ দেখান। টেনে হিঁচড়ে সেখান থেকে তাঁদের সরিয়ে দেয় পুলিশ। পুলিশের সঙ্গে খণ্ডযুদ্ধে আহত হয়েছেন কমপক্ষে ১৫ জন বিক্ষোভকারী। আন্দোলনকারীদের কথায়, “বিভোক্ষ দমানের নামে পুলিশের এই অত্যাচার অব্যাহত থাকলে, তার পরিণতি ভয়ংকর হবে। আমরা আসন্ন নির্বাচন বয়কট করব।” পুলিশের ডেপুটি কমিশনার মাসুদ আলম বলেন, “আইনশৃঙ্খলার অবনতি যাতে না হয় সেই জন্য আমরা সতর্ক। ইতিমধ্যেই বিক্ষোভকারীদের সঙ্গে আমাদের কথা হয়েছে।”

