স্যন্দন ডিজিটাল ডেস্ক, আগরতলা। ৯ মে : বিশ্রামগঞ্জ বাজারে তিনটি দোকান বিধ্বংসী অগ্নিকাণ্ডে ভস্মীভূত হয়ে যায়। ঘটনা শনিবার দুপুরে। প্রাথমিক সূত্রের অনুমান দোকানে ধুপকাঠির আগুন থেকেই এই অগ্নিকাণ্ডের সূত্রপাত। জানা গেছে এদিন বিশ্রামগঞ্জ অগ্নি নির্বাপক দপ্তরের ৩০০ মিটার দূরে এই অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। এই অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় মুহূর্তের মধ্যেই তিনটি দোকান সম্পূর্ণভাবে পুড়ে ভস্মিভূত হয়ে যায়। ঘটনাটি প্রত্যক্ষ করতে পেরে স্থানীয় ব্যবসায়ীরা খবর দেয় বিশ্রামগঞ্জ থানায় এবং অগ্নি নির্বাপক দপ্তরের কর্মীদের।
পরে অগ্নি নির্বাপক দপ্তরের তিনটি দমকলের ইঞ্জিন ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে, কিন্তু ততক্ষণে দোকানে থাকা সমস্ত সামগ্রী পুড়ে ছাই হয়ে যায়। স্থানীয় ব্যবসায়ীরা বিশ্রামগঞ্জ অগ্নি নির্বাপক দপ্তরের কর্মীদের বিরুদ্ধে কর্তব্যের গাফিলতির অভিযোগ তুলেছে। তাদের অভিযোগ, অগ্নিকাণ্ডের ঘটনার সঙ্গে সঙ্গেই খবর দেওয়া হয়েছিল দমকল কর্মীদের। বাজার থেকে মাত্র ৩০০ মিটার দূরে ফায়ার স্টেশন। কিন্তু ঘটনাস্থলে পৌঁছাতে কুড়ি মিনিটের অধিক সময় লেগেছে দমকল কর্মীদের। পরে জানা গেছে দমকল গাড়ির চালক ছিলেন না।
তারপর একজন সাধারন নাগরিক ফায়ার ইঞ্জিনের গাড়ি চালিয়ে ঘটনাস্থলে নিয়ে এসেছে দমকল কর্মীদের। অগ্নি নির্বাপক দপ্তরের কর্মীরা সঠিক সময়ে দ্রুত যদি ঘটনাস্থলে পৌঁছাতো তাহলে হয়তো দোকানগুলির এত বড় ক্ষয়ক্ষতি হত না। এদিকে জনসাধারণের অভিযোগ মিথ্যা বলে দাবি করলেন একটি দমকল কর্মী। দমকল কর্মী সংবাদ মাধ্যমের কাছে দাবী করলেন, ঘটনার খবর পেয়ে সঙ্গে সঙ্গেই ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণে এনেছেন। এবং কেন গাড়ি চালক থাকবে না সেটা নিয়ে পাল্টা প্রশ্ন তোলেন এই দমকল কর্মী। তবে এই অগ্নিকাণ্ডের ফলে ক্ষতিগ্রস্ত দোকান মালিকরা আর্থিকভাবে অনেকটাই ভেঙ্গে পড়েছেন। তবে এদিন আগুন নেভানোর কাজে হাত না লাগিয়ে অতি উৎসাহীরা মোবাইল ফোনের মাধ্যমে ক্যামেরাবন্দি করতে ব্যস্ত! কার কতটা সর্বনাশ, সেটা বড় বিষয় নয়, তাদের সোশ্যাল মিডিয়ায় ভিউ, ফলোয়ার বাড়ানো সবচেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ।

