বাড়িরাজ্যআত্মসমীক্ষায় একলা চলো নীতিই সঠিক ছিল বিজেপি-র, নির্বাচনোত্তর বেআইনি কার্যকলাপের জন্য কর্মচারীদের...

আত্মসমীক্ষায় একলা চলো নীতিই সঠিক ছিল বিজেপি-র, নির্বাচনোত্তর বেআইনি কার্যকলাপের জন্য কর্মচারীদের বিঁধলেন মুখ্যমন্ত্রী

স্যন্দন ডিজিটাল ডেস্ক, আগরতলা। ২৫ এপ্রিল: পাহাড়ে একলা চলো নীতি থেকে সরে আসছে না বিজেপি। পাহাড়ে বিজেপি-র ভরাডুবিতে নিরাশ হলেও সঠিক সিদ্ধান্ত ছিল প্রদেশ স্তরের নেতৃত্বের। শনিবার আত্ম সমীক্ষা করতে বৈঠকে এটা ষ্পষ্ট হয়েছে প্রদেশ স্তরের নেতৃত্বের। বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন মুখ্যমন্ত্রী ডাক্তার মানিক সাহা, প্রদেশ বিজেপি সভাপতি রাজীব ভট্টাচার্য, মন্ত্রী প্রনজিৎ সিংহ রায়, মন্ত্রী সান্তনা চাকমা সহ অন্যান্য নেতৃত্ব। এদিনের বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন ভারতীয় জনতা পার্টি চারজন বিজয় প্রার্থী সহ বিজিত প্রার্থীরা। কি কারনে ভারতীয় জনতা পার্টির এত বড় পরাজয় তার ময়না তদন্ত করেন দলের নেতৃত্ব।

 বৈঠক শেষে মুখ্যমন্ত্রী ডাক্তার মানিক সাহা জানান, রাজ্যের প্রথমবার ভারতীয় জনতা পার্টি এবিসি নির্বাচনে একক লড়াইয়ে অবতীর্ণ হয়েছিল। যেখানে ভারতীয় জনতা পার্টির ভোট ৮% থেকে বের হয়েছে ২৭.৪৪ শতাংশ। তীব্র আক্রমণকে প্রতিহত করে একটা বৃহৎ অংশের জনগণ ভারতীয় জনতা পার্টির প্রতি সমর্থন জানিয়েছে। মুখ্যমন্ত্রী আরো বলেন, এইদিনের পর্যালোচনা বৈঠকে উঠে এসেছে এডিসি নির্বাচনে বিজেপির একলা চলো নীতির সিদ্ধান্ত সঠিক ছিল। জনজাতি এলাকায় আগামী দিনেও বিজেপি এই সিদ্ধান্ত নিয়ে এগিয়ে যাবে। যে যে জায়গায় বিজেপির শক্তি দুর্বল ছিল সেই সেই জায়গায় বিজেপির শক্তি বৃদ্ধি করার উপর জোর দেওয়ার বিষয়ে এইদিন সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়েছে। একই সঙ্গে ছবিমুড়া দখল করার চেষ্টা নিয়ে তিপরা মথাকে তীব্র সমালোচনা করলেন মুখ্যমন্ত্রী।

 মুখ্যমন্ত্রী বলেন এটা অত্যন্ত বেআইনি কাজ। এগুলি তারা করতে পারে না। যত বেশি এ ধরনের কাজ করবে তত বেশি মানুষ তাদের মেনে নেবে না। পাশাপাশি কোথাও কোথাও ভিলেজ কাউন্সিল দখল করার যে চেষ্টা চলছে তা নিয়েও মুখ্যমন্ত্রী বলেন, এগুলি আইনের মধ্যে পড়ে না। এভাবে ভিলেজ কাউন্সিল দখল করা যায় না। দেশে আইন কানুন আছে। এগুলি মানুষ বুঝছে এখন। বহু কর্মচারী তিপরা মথাকে ভোট দিয়েছিল, তারা এখন বলুক এটাও একটা পথ। তাদের জিজ্ঞাসা করা হবে এটা ঠিক করছে কিনা।  তবে এক প্রকার ভাবে বোঝাই যাচ্ছে মুখ্যমন্ত্রী রাজ্যের বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে অত্যন্ত অসন্তুষ্ট। মথা সমর্থিত প্রশাসনিক কর্মীদেরও দায়ী করেছেন তিনি। যা কোনোভাবেই মুখ্যমন্ত্রীর অন্ধকারে ঢিল নয়। নিশানা বুঝে মুখ্যমন্ত্রীর এই কথা বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহল।

সম্পরকিত প্রবন্ধ

সবচেয়ে জনপ্রিয়

সাম্প্রতিক মন্তব্য