বাড়িরাজ্যবহু ভোট কেন্দ্রে ইভিএম মেশিনের গোলযোগে  ভোটারদের দুর্ভোগ চরমে

বহু ভোট কেন্দ্রে ইভিএম মেশিনের গোলযোগে  ভোটারদের দুর্ভোগ চরমে

স্যন্দন ডিজিটাল ডেস্ক, আগরতলা। ১২ এপ্রিল : ত্রিপুরা উপজাতি এলাকার স্বশাসিত জেলা পরিষদের নির্বাচনে রবিবার সকাল থেকেই বেশ কয়েকটি ভোটগ্রহণ কেন্দ্রে ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিন বিকল হয়ে পড়তে অভিযোগ ওঠে। ইভিএম বিকল হওয়ার কারণে দীর্ঘ সমস্যার মুখে পড়তে হয় ভোটারদের। জানা যায়, ১৪ বোধজংনগর ওয়াকিনগর কেন্দ্রে সিপাহীপাড়া হোলিক্রস কলেজ সংলগ্ন ভোট কেন্দ্রে রবিবার সকাল থেকে ইভিএম বিকল হয়ে পড়ে। যার কারণে ভোটাররা দীর্ঘ সময় পর্যন্ত লাইনে দাঁড়িয়ে অনেকটা বিরক্ত অনুভব করে।

 ভোটাররা জানিয়েছেন তারা সকাল সকাল ভোট দিতে আসেন। কিন্তু এসে জানতে পারেন ইভিএম বিকল হয়ে পড়েছে। বোধজং নগর ওয়াকি নগর কেন্দ্রের কালিনগর ভোট গ্রহণ কেন্দ্রে ও ইভিএম গোলযোগ এর অভিযোগ ওঠে এদিন। যার কারণে নির্ধারিত সময়ে ভোট গ্রহণ প্রক্রিয়া শুরু করা সম্ভব হয়নি। সকাল সকাল ভোট দিতে এসে ইভিএম বিকল হয়ে পড়ায় ভোটাররা দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়ে অপেক্ষা করতে থাকে। অনেকটা সময় পর শুরু হয় ভোট গ্রহণ প্রক্রিয়া। এদিকে কাঁঠালিয়া মির্জা রাজাপুর কেন্দ্রে বিভিন্ন ভোট গ্রহণ কেন্দ্রে ইভিএম এর যান্ত্রিক গোলযোগ এর অভিযোগ ওঠে। যার কারণে দীর্ঘ সময় পর ভোট গ্রহণ প্রক্রিয়া শুরু হয়। এই কেন্দ্রের তিপরা মথা দলের নির্বাচন ম্যানেজমেন্ট কমিটির চেয়ারম্যান রকি মুড়াসিং অভিযোগ করেন ভোট কর্মীদের কাছে কোনো রকম থিনার দেওয়া হয়নি।

 যা একটি গুরুত্বপূর্ণ জিনিস। ভোটিং মেশিন বিকল হলে এই থিনারের ব্যবহার খুবই অপরিহার্য। এদিকে খোয়াই জেলার ১২ রামচন্দ্র ঘাট কেন্দ্রের শরৎচন্দ্র চৌপারা ভোটগ্রহণ কেন্দ্রে ভোটারদের ভোট দানে কিছুটা ঘটে। জানিয়েছেন সকাল সাড়ে নয়টা নাগাদ যখন ৬৬ টি ভোট পড়ে তখন হঠাৎ ইভিএম বিকল হয়ে পড়ে। এর ফলে ৪০ থেকে ৪৫ মিনিট ভোট গ্রহণ প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ বন্ধ থাকে। পরে এই বিকল ইভিএম বদল করে দেওয়া হয়। নতুন মেশিন লাগানোর পর পুনরায় ভোট গ্রহণ প্রক্রিয়া শুরু হয়। ৭ ডেমডুম কচুছড়া কেন্দ্রের ১৮ নম্বর পুলিং বুথে দুটি ইভিএম বিকল হয়ে পড়ে। পরে বিকল ইভিএম বদল করা হয়। নতুন ইভিএম এনেও সময় মত ভোটিং শুরু করা যায়নি। সবমিলিয়ে বলা যেতে পারে রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে এদিন ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিন বিকল হয়ে পড়ায় নির্দিষ্ট সময়ে ভোটগ্রহণ প্রক্রিয়া সব শুরু করা যায়নি। যার কারনে বিরক্ত অনুভব করে ভোটাররা।

সম্পরকিত প্রবন্ধ

সবচেয়ে জনপ্রিয়

সাম্প্রতিক মন্তব্য